Page 1 of 2

রাতাতুলে সন্ধ্যা

 

নান রুটি


উপকরণ

২ কাপ ময়দা, ২ চা-চামচ ইষ্ট কুসুম গরম পানিতে ভালো করে মিশিয়ে নিতে হবে, ২ চা-চামচ চিনি, ২ টেবিল চামচ খাঁটি সরিষার তেল বা ঘি এবং লবণ ও পানি পরিমাণমতো।

প্রণালি
একটি পাত্রে গরম পানি দিন এবং কাই বা খামির বানানো পাত্রে দুই কাপ ময়দা নিন। এক চা-চামচ ইষ্ট নিন। তবে এর আগে ময়দায় পরিমাণমতো লবণ ও এক চা-চামচ চিনি দিয়ে ভালো করে মিশিয়ে নিন। পানিতে ইষ্ট গুলিয়ে নিয়ে ময়দায় দিয়ে মাখাতে থাকুন এবং গরম পানি দিয়ে দিয়ে খামির বানান। ধীরে ধীরে অল্প অল্প পানি দিয়ে মাখাতে থাকুন। লক্ষ্য রাখবেন, খামির যাতে বেশি নরম না হয়ে যায়। খামির হয়ে গেলে এবার তেল (অল্প অল্প করে) দিয়ে আবারও খামির মলে মলে আরো নরম করে নিন। খামির একটা ধাতব বা প্লাস্টিকের পাত্রে কিছুক্ষণ রেখে গরম করা পানি পাত্রের ওপর দিয়ে দিন। মিনিট বিশেক পর খামির তুলে দেখুন, কী সুন্দর হয়েছে! ফুলে বড় হয়েছে এবং ভালো ঘ্রাণ বের হচ্ছে। তাওয়া গরম করে সাধারণ রুটির মতো করে সেঁকে নিন। তবে ভালো একটা পাতলা কাপড় (পাফ বানিয়ে নিন) দিয়ে চাপ দিয়ে দিয়ে সেঁকে নিন যাতে রুটির প্রতি অংশে আগুনের আঁচ লাগে। ব্যস, হয়ে গেল ‘নান রুটি’!

 

চিকেন পাহাড়ি কাবাব


উপকরণ
আধা কেজি হাড়ছাড়া মুরগির মাংস ১+১টি, ২ কাপ ধনিয়ার পাতা, আধা কাপ পুদিনা পাতা, ৬ থেকে ৮টি পুঁই পাতা, ৪টি কাঁচামরিচ, ৪টি রসুনের কোয়া, আধা ইঞ্চি টুকরা আদা, ১ চা-চামচ জিরার গুঁডা, ১ চা-চামচ ধনিয়ার গুঁডা, ১ চা-চামচ লবণ বা স্বাদমতো, কোয়ার্টার কাপ লেবুর রস, আধা কাপ টক দই, ২ টেবিল চামচ ময়দা ও ২ টেবিল চামচ জলপাই তেল বা ঘি।

প্রণালি
এক সঙ্গে ধনিয়ার পাতা, পুঁই পাতা, কাঁচামরিচ, রসুন, আদা, জলপাই তেল ও লেবুর রস মিশিয়ে নিন। দইয়ের মধ্যে গ্রীন সস ঢেলে লবণ, ময়দা ও শুকনো মশলাগুলো ভালোভাবে মিশিয়ে নিন। কমপক্ষে ৩০ মিনিট দই ও সসের মধ্যে মুরগি মেরিনেট করে রাখুন। মেরিনেট হয়ে গেলে মাংসের টুকরোগুলো শিকে গেঁথে কাঠকয়লার আগুনে ভালোভাবে ঝলসে নিন। ঝলসানো হয়ে গেলে কাবাব তেঁতুল চাটনি ও তাজা সালাদে নান রুটির সঙ্গে পরিবেশন করুন।

 

 

ছবি : শোভন আচার্য্য অম্বু
কৃতজ্ঞতা : রাতাতুল রেস্তোরাঁ, উত্তরা, ঢাকা।

তুমি না থাকলে...

 

 

‘চা’ ছোট্ট এক অক্ষরের এ শব্দটিতে মিশে আছে ভোরের আয়েশি আমেজ। একই সঙ্গে রয়েছে রোজকার পত্রিকা পড়ার সময়টুকুর মধুর সঙ্গ কিংবা বিকালের অবসন্নতার নিমেষে চনমনে হয়ে ওঠা ভাবটিও। এছাড়া অফিসের কাজের ব্যস্ততা, যে কোনো ভ্রমণের ফাঁকে কিংবা বন্ধুবান্ধবের আড্ডায় চা ছাড়া ভাবাই যায় না। অন্যদিকে অতিথি আপ্যায়নে দেশ-বিদেশ, জাতি-ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে চা এক অপরিহার্য অনুষঙ্গ। কাজেই সোজা কথায় বলা যায়, এই চা আজ পুরো বিশ্বের মানব জাতির কাছে অতি পরিচিত ও সমাদৃত পানীয়।

অবশ্য চায়ের নানান ধরন আছে। রয়েছে স্বাদ ও গন্ধের ভিন্নতা, এমনকি চা বানানোরও আছে ভিন্ন স্বকীয়তা। দেশ অথবা জাতিভেদে চায়ের পরিবেশনাতেও রয়েছে ভিন্নতা। কিন্তু আজকের এই বহুল পরিচিত বিশ্ব জননন্দিত ও সমাদৃত ওই পানীয়টির জন্ম ইতিহাস কী, কোথা থেকেই বা ওই চা আবিষ্কৃত হয়েছিল তা কি সবার জানা আছে?

এবার বলি চা আবিষ্কারের গল্পটি : খ্রিস্টপূর্ব ২৭৩৭ সালের কথা। চায়নার সম্রাট শেন নাং তার ভৃত্য পরিবেষ্টিত হয়ে জঙ্গলে গিয়েছিলেন এক আনন্দ ভ্রমণে জুন্নান প্রদেশে। খোলা প্রান্তরে গাছের ছায়ায় বসে থাকার প্রাক্কালে সম্রাটের জলপাত্রের ফুটন্ত পানিতে হঠাৎ বাতাসের ঝাপটায় পাশের ঝোপ থেকে কিছু পাতা উড়ে এসে পড়লো। পাতাটি তুলে ফেলার আগেই তা জলের রঙ বদলে ফেললো। সম্রাট শেন কৌতূহলী হয়ে জলের ঘ্রাণ শুঁকে দেখলেন, এতে রয়েছে অন্য রকম এক মাদকতা। তিনি ওই স্বাদ নিলেন ও আনন্দিত হয়ে উঠলেন। পৃথিবীতে আবিষ্কৃত হলো এক নতুন পানীয়।
খুব অল্প সময়ের মধ্যেই চায়ের ঔষধি গুণাবলির স্বীকৃতি পেল যা পরে চায়নার প-িত কর্তৃক অমরত্বের স্পর্শমণি হিসেবে বর্ণিত হয়েছে। খ্রিস্টাব্দ ৪০০ শতকে চায়নার অভিধানে চা স্থান পায় ‘দকুয়াং ইয়া’ নামে। একই সঙ্গে বর্ণনা দেয়া হয় চা তৈরির পদ্ধতি। ৭২৫ খ্রিস্টাব্দে চীনের সম্রাট সরকারিভাবে ওই পানীয়র নাম পরিবর্তন করে নতুন নাম দেন ‘চা’। তা আজ পৃথিবীর অনেক দেশে একই বা কাছাকাছি নামে পরিচিত। কাজেই দেখা যায় চা ও ‘চা’ শব্দটির জন্মস্থান চায়নাতেই এবং চৈনিক শাসক শেন নাং প্রথম চা আবিষ্কারক।

নানান চা, পরিবেশনা, রেসিপি ও উপকারিতা
রাস্তার টঙঘরের বিশাল টগবগে কেটলি থেকে ছোট্ট ছোট্ট কাপে ঢেলে ‘র’ চা শুরু করে রাজকীয় স্বর্ণের পেয়ালায় দুধ, চিনি বা মধু মিশিয়েও তা পরিবেশনার নজির রয়েছে।


জনপ্রিয় টি-ব্যাগ পরিবেশনা
এক পেয়ালা গরম পানিতে টি-ব্যাগের সুতাটি ধরে চুবিয়ে দিলেই হয়ে যায় মন মাতানো রঙের সুগন্ধি চা যা খুবই সুবিধাজনক পদ্ধতি। এই টি-ব্যাগের আগের চেহারাটি মোটেও আজকের দিনের চৌকোণা টি-ব্যাগের মতো ছিল না। বরং পোঁটলা করে যেন এক গোছা চা-পাতাই বাঁধা থাকতো সেখানে। ওই টি-ব্যাগের জন্ম নিয়েও রয়েছে একটি মজার ঘটনা। ১৯০৮ সালে আমেরিকার নিউ ইয়র্কের চা ব্যবসায়ী থমাস সুলিভ্যান ছোট ছোট সিল্কের কাপড়ে তৈরি পুঁটুলিতে করে চায়ের নমুনা তার কোনো এক ক্রেতার কাছে পাঠান। সেই ক্রেতা চাসহ ওই সিল্কের পুঁটুলি গরম পানিতে দিয়ে চা বানানোর চেষ্টা করেন। এই শুনে সুলিভ্যানের মাথায় আসে টি-ব্যাগের ধারণাটি। এরপরই তিনি টি-ব্যাগের প্রচলন শুরু করেন।

 

রঙ চা (‘র’ টি)
বাংলাদেশে সবচেয়ে বেশি জনপ্রিয় ওই কালো চা। চা আমরা সাধারণত লিকার হিসেবে অথবা দুধ-চিনি মিশিয়ে পান করে থাকি। গবেষণায় দেখা গেছে, লিকার চা স্ট্রোকের ঝুঁকি কমায়। এছাড়া এই চা নিয়মিত পান করলে উচ্চ রক্তচাপ, ডায়াবেটিস অনেকটাই নিয়ন্ত্রণে আসে। তবে তা হতে হবে দুধ ছাড়া চা।


সবুজ চা (গ্রিন টি)
চা গাছের সবুজ পাতা রোদে শুকিয়ে তাওয়ায় সেঁকে এই চা প্রস্তুত করা হয়। সবুজ চায়ের গুণাবিল বলে শেষ করা যাবে না। এতে উচ্চ হারে ক্যাফেইন থাকে যা আপনার স্মৃতিশক্তি উন্নত করতে সাহায্য করে। নিয়মিত এই চা পান করলে ত্বক থাকে টান টান ও সতেজ। সবুজ চায়ের অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট ক্ষতিকর উপাদান রোধ করে ত্বক বুড়িয়ে যাওয়া থেকে রক্ষা করে। সবুজ চা ত্বকের রোদপোড়া ভাব দূর করে। সবুজ চায়ের অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট ত্বকের ক্যানসারের সঙ্গে লড়াইয়েও রাখে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা। দাঁতের ক্ষয় রোধ, মাঢ়ি মজবুত করা তো এর নিয়মিত কাজেরই একটি অংশ। শুধু তা-ই নয়, ওই চা নিয়মিত পান করলে শরীরের মেদ কোষে গ্লুুকোজ ঢুকতে পারে না। কাজেই ওই সবুজ চা ওজন কমানোর অন্যান্য যে কোনো ওষুধের চেয়ে নিরাপদ। এর কোনো
পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া নেই। সবুজ চা হাড়ের ক্ষয় রোধে বেশ কার্যকর। কাজেই লোহার মতো সবল হাড় পেতে পান করুন সবুজ চা। সোজা কথায় বলা যায়, চিরসজীব থাকতে এই চায়ের জুড়ি নেই।

 
ওলং চা
এই চা অর্ধেক গাজন করেই প্রস্তুত করা হয় অর্থাৎ প্রস্তুত প্রণালির ভিত্তিতে কালো আর সবুজ চায়ের মাঝখানে এর অবস্থান। সবুজ চায়ের মতো এর আছে বহুমুখী গুণ, বিশেষ করে চর্বিযুক্ত খাবার খাওয়ার পর ওলং চায়ের লিকার পান করলে কোলেস্টেরল বাড়ার আশঙ্কা প্রায় থাকে না বললেই চলে। ওলং চা বাংলাদেশে পাওয়া যায়। তবে এটি বহুল পরিচিত নয় এবং দামও কিছুটা বেশি।


আদা চা ও এর উপকারিতা
মন শান্ত করা ও মানসিক চাপ কমিয়ে আনতে আদা চায়ের ভূমিকা অতুলনীয়। আর আদা চা যে খুশখুশে কাশি, গলা ব্যথা রোধে ভীষণ কার্যকর তা বোধহয় কাউকে নতুন করে বলে দিতে হবে না। হার্ট অ্যাটাক ও স্ট্রোকের ঝুঁকি কমিয়ে দিতেও আদা চা অনেক কার্যকর। কারণ আদায় রয়েছে ভিটামিন, মিনারাল ও অ্যামিনো এসিড। তা শরীরে রক্ত চলাচল বাড়ায় ও হৃৎপি-টি সচল রাখে। আদা চা ধমনি থেকে অতিরিক্ত চর্বি সরিয়ে ফেলতে সাহায্য করে। মাংসপেশির ব্যথা কিংবা অস্থি সন্ধির ব্যথায় আদা চা খাওয়া উপকারী। কারণ আদায় রয়েছে এমন কিছু বিশেষ উপাদান যা প্রদাহ কমিয়ে দেয়। আদা চা বানাতে পানি গরম করার সময় আদা টুকরা করে দিয়ে বেশ কিছুক্ষণ জ্বাল দিতে হয়। এরপর চা-পাতা ও চিনি দিয়ে নামিয়ে নিতে হয়। এছাড়া চা বানিয়ে এতেও আদার কিছুটা রস মিশিয়ে চা পান করা যায়।


তুলসী চা
অসাধারণ উপকারী তুলসী চা সর্দিজনিত মাথা ব্যথা, কাশি, সর্দি-জ্বর ও ঠা-া লাগা দূর করে। এটি দুশ্চিন্তা থেকে রক্ষা পেতেও সাহায্য করে। তুলসী চা বানাতে ২ থেকে ৩ কাপ গরম পানিতে ৫-৬টি তুলসী-পাতা ফুটাতে হবে। পানি ফুটে ১ কাপ পরিমাণ হয়ে এলে এতে চা পাতা দিয়ে নামিয়ে গরম গরম পান করলে কাশি, সর্দি, মাথা ব্যথার উপশম হয়। এটি এসিডিটি নিরাময়ে অনেক জনপ্রিয়।


লেবু চা
লেবু চা ওজন কমাতে অসাধারণভাবে কাজ করে। বা লিকার চায়ের তুলনায় পুষ্টিগুণে এটি বেশি উপকারী। লেবু চা বানাতে লিকার চা তৈরি করে পরিবেশনের সময় পরিমাণমতো লেবুর রস, চিনি বা মধু মিশিয়ে পান করা যায়।


পুদিনা চা
পুদিনা চা বা মিন্ট টি পেটের বাড়তি মেদ কমাতে সাহায্য করে। এছাড়া গলা বসা, গলা ব্যথা, সর্দি-কাশি ও জ্বর নিরাময়ে সাহায্য করে। পুদিনা চা বানাতে তাজা অথবা শুকনাÑ দু’রকম পাতাই ব্যবহার করা যায়। ২ কাপ পানি, দেড় কাপ তাজা পাতা অথবা ১ চা-চামচ শুকনা পাতা, স্বাদের জন্য চিনি, মধু ও লেবু দেয়া যেতে পারে। পান করার ২-৩ মিনিট আগে গরম পানিতে পাতা দিয়ে রেখে দিতে হবে নির্যাস বের হওয়ার জন্য।


মধু চা
মধু চা-ও সর্দিজনিত মাথা ব্যথা, কাশি, সর্দি, জ্বর ও ঠা-া লাগা দূর করেতে বিশেষ ভূমিকা পালন করে। হালকা লিকারে মধু মিশিয়ে ওই চা বানানো হয়। তবে এর সঙ্গে লেবু চিপে দিলেও শরীরের জন্য যেমন উপকারী তেমনি সুস্বাদু হয়।


জেসমিন টি
জেসমিন ফ্লাওয়ারের সুবাসযুক্ত ওই চা দারুণ জনপ্রিয়। সাধারণ সবুজ চা বা গ্রিন টিতেই জেসমিন টি বানানো যেতে পারে। শুকনা চায়ের সঙ্গে সন্ধ্যার পর পর জেসমিন ফুলের পাপড়ি তুলে মিশিয়ে রাখতে হবে এবং সকালেই তা বেছে ফেলতে হবে। এভাবে ৭ দিন পর ফ্লেভার ট্রান্সফার হয়ে যাবে।

 


লেখা : শায়মা হক
মডেল : সাদিয়া বনি
ছবি : শোভন আচার্য্য অম্বু
কৃতজ্ঞতা : মারিয়ান ফয়সাল

জাফরানি পোলাও

 

 

জাফরানি পোলাও
উপকরণ : পোলাওয়ের চাল এক কেজি, তেল আধা কাপ, ঘি আধা কাপ, দারুচিনি ও এলাচ দুটি করে, তেজপাতা একটি, ঘন দুধ আধা কাপ, জাফরান এক চিমটি, লবণ একমুঠ ও গরম পানি পরিমাণমতো।
প্রণালি : পোলাওয়ের চাল ভালো করে ধুয়ে পানি ঝরাতে দিন। এবার একটা হাঁড়িতে তেল-ঘি দিয়ে এতে দারুচিনি, এলাচ, তেজপাতার ফোড়ন দিন। এবার চাল দিয়ে নাড়াচাড়া করুন। লবণ দিন। পেয়াজ বেরেস্তা ছিটিয়ে দিন। ভাজা হলে পরিমাণমতো গরম পানি দিয়ে ফুটে উঠলে দুটো ভেজা জাফরান দিয়ে দমে দিয়ে ঢেকে দিন। নামিয়ে গরম গরম পরিবেশন করুন
জাফরানি পোলাও।


বাদশাহী মোরগ মোসাল্লাম
উপকরণ : মুরগি দেড় কেজি, আদা-রসুন বাটা তিন টেবিল চামচ, টক দই ১০০ গ্রাম, কাঁচামরিচ বাটা দুই চা-চামচ, লাল মরিচ গুঁড়া দুই টেবিল চামচ, চাট মশলা চার ভাগের এক চা চামচ, কমলা রঙ চার ভাগের এক চা-চামচ, ধনিয়া এক টেবিল চামচ, জিরা এক চা-চামচ, দারুচিনি একটা, এলাচ ছোট চারটা, বড় এলাচ একটা, তেজপাতা একটা, গোল মরিচ আধা চা-চামচ, পেঁয়াজ বেরেস্তা আধা কাপ, তেল এক কাপ, ঘি আধা কাপ, কাঠবাদাম আধা কাপ, ডিম সিদ্ধ দুটি, জায়ফল-জয়ত্রী দুই চা-চামচ ও কেওড়া জল এক টেবিল চামচ।
প্রণালি : প্রথমে টক দই, কাঁচামরিচ বাটা, লাল মরিচ গুঁড়া, আদা-রসুন বাটা, চাট মশলা, কমলা রঙ এক সঙ্গে একটি বাটিতে মিক্স করতে হবে। এবার গোটা মুরগি ভালোভাবে ধুয়ে বুকের দু’পাশ ছুরি দিয়ে চিরে দিয়ে নিতে হবে। রানগুলো চিড়ে দিতে হবে। এবার দই মিক্সার দিয়ে মুরগিটাকে ভালোভাবে মেরিনেট করে রাখতে হবে চার-পাঁচ ঘণ্টা। এবার একটা প্যানে ধনিয়া, জিরা, গরম মশলা, জায়ফল, জয়ত্রী, শুকনা মরিচ গুঁড়া করে নিতে হবে। চুলায় তেল গরম হলে মশলা থেকে ঝেড়ে মুরগি সবদিকে লাল করে ভেজে নিতে হবে। ভাজার আগে মুরগির বুকের ভেতর ডিম সিদ্ধ ঢুকিয়ে দিতে হবে। এবার ওই ভাজা তেলে মেরিনেটের মশলা ও ব্লেন্ডার করা মশলা দিয়ে কষিয়ে নিতে হবে। সাজানোর মতো একটা প্লেটের মাঝখানে ভাজা গোটা মুরগি দিয়ে এর চারদিকে কষানো মশলা দিয়ে পরিবেশন করতে হবে।

শাহী খাসির কোরমা
উপকরণ : খাসির মাংস এক কেজি, আদা-রসুন বাটা তিন টেবিল চামচ, পেঁয়াজ বাটা এক টেবিল চামচ, বাদাম বাটা এক টেবিল চামচ, টক দই দুই কাপ, জায়ফল-জয়ত্রী গুঁড়া এক চা-চামচ, আলুবোখারা দু’তিনটি, লাল মরিচ গুঁড়া এক চা-চামচ, ধনিয়ার গুঁড়া দুই টেবিল চামচ, জিরার গুঁড়া এক চা-চামচ, দারুচিনি-এলাচ-লবঙ্গ দুই টেবিল চামচ, পেঁয়াজ বেরেস্তা এক কাপ, জাফরান এক চিমটি, কেওড়াজল এক চিমটি, তেল-ঘি পরিমাণমতো, চিনি এক টেবিল চামচ ও দুধ এক কাপ।
প্রণালি : প্রথমে খাসির মাংস ভালো করে ধুয়ে পানি ঝরিয়ে এতে আদা-রসুন বাটা, টক দই, বাদাম বাটা, পেঁয়াজ বাটা, জায়ফল-জয়ত্রী, আলুবোখারা, লবণ, লাল মরিচ গুঁড়া দিয়ে মেরিনেট করতে হবে এক ঘণ্টা। এবার একটি হাঁড়িতে তেল-ঘি দিয়ে এতে গরম মশলা ফোড়ন দিয়ে মাখানো মাংস ঢেকে দিতে হবে। চুলায় ভালো করে কষিয়ে নিতে হবে। এবার ব্লেন্ডারে ধনিয়ার গুঁড়া, গরম মশলা, জিরার গুঁড়া, পেঁয়াজ বেরেস্তা ও একটু পানি দিয়ে পেস্ট করে নিতে হবে। কষানোর সময় ওই পেস্টটি দিয়ে আরো কিছুক্ষণ কষিয়ে পরিমাণমতো পানি দিয়ে সিদ্ধ করে নিতে হবে। যখন প্রায় সিদ্ধ হয়ে আসবে তখন দুটি ভেজানো জাফরান দিয়ে আরো চার-পাঁচ মিনিট ঢেকে রেখে তেলের ওপর উঠলে কেওড়াজল দিয়ে কাঁচামরিচ গোটা ছেড়ে দিয়ে নামাতে হবে।



শাহী চিকেন কোফতাকারি
উপকরণ : মুরগির বুকের পিস একটা, আদা-রসুন বাটা এক টেবিল চামচ, বাদাম বাটা এক চা-চামচ, জায়ফল-জয়ত্রী এক চা-চামচ, আলু বোখারা এক-দুটি, পোস্ত বাটা এক চা-চামচ, বেরেস্তা আধা কাপ, কাঁচামরিচ কুচি এক চা-চামচ, ধনিয়াপাতা এক চা-চামচ, পুদিনাপাতা এক টেবিল চামচ, লেবুর রস দুই-তিন ফোঁটা, পাউরুটি দুই গ্লাস, তেল-ঘি আন্দাজমতো, লবণ স্বাদমতো, গরম মশলা গুঁড়া এক চা-চামচ, কেওড়াজল এক টেবিল চামচ ও ক্রিম এক টেবিল চামচ।
প্রণালি : প্রথমে একটি হাঁড়িতে মুরগির পিসের সঙ্গে আদা-রসুন বাটা, জায়ফল-জয়ত্রী, আলুবোখারা, বাদাম বাটা একটু পানি দিয়ে সিদ্ধ করে নিতে হবো। এবার বুকের পিসগুলো হাত দিয়ে চিরে নিতে হবে। একটা বাটিতে পাউরুটির পিসগুলো পানিতে ভিজিয়ে চিপে মুরগিতে দিতে হবে। এতে পেঁয়াজ বেরেস্তা, কাঁচামরিচ কুচি, ধনিয়াপাতা-পুদিনাপাতা কুচি, একটা ডিমের কুসুম, গরম মশলা গুঁড়া ও লেবুর রস দিয়ে ভালো করে মিক্স করে নিতে হবে। এবার গোল গোল বল তৈরি করে ডিমের সাদা অংশে চুবিয়ে ডুবোতেলে ভেজে নিতে হবে। এবার বাটা পেঁয়াজ, বাদাম বাটা, আদা-রসুন বাটা, গরম মশলা, টক দই এক সঙ্গে কষিয়ে বলগুলো ছেড়ে দিয়ে তেলের ওপর উঠলে কাঁচা মরিচ দিয়ে নামিয়ে বেরেস্তা ছিটিয়ে ও ক্রিম দিয়ে পরিবেশন করতে হবে।

 

____________________
 রেসিপি : সানজিদা জামান
 ছবি : ফারহান ফয়সাল

ঈদে নানান পদ ...

 

 

মেরি ক্রিম ডিলাইট

উপকরণ : ডানো ক্রিম এক টিন, কনডেন্সড মিল্ক আধা টিন, টক দই কোয়ার্টার কাপ, ঘন দুধ কোয়ার্টার কাপ, মেরি বিস্কুট এক প্যাকেট ও সøাইস করে কাটা লাল চেরি আধা কাপ।

প্রস্তুত প্রণালি : উপরের সব উপকরণ এক সঙ্গে মিলিয়ে ভালোমতো নেড়ে ফোমের মতো করে নিন। এবার বাটিতে ওই ক্রিমের মিশ্রনটি অল্প করে নিয়ে প্রলেপ দিন। এরপর মেরি বিস্কুট একের পর এক সাজান। আবার ওপরে ক্রিম ও বিস্কুট দিন। এবার বাকি ক্রিমটুকু দিন। এরপর সবার ওপরে চেরি সøাইস দিয়ে ডেকোরেশন করে দিন। রেফ্রিজারেটরে ২-৩ ঘণ্টা রেখে দিন। জমে গেলে ডেজার্ট টি চায়ের সঙ্গে পরিবেশন করুন।

আনারসের জর্দা

উপকরণ : ডানো ক্রিম এক টিন, কনডেন্সড মিল্ক আধা টিন, টক দই কোয়ার্টার কাপ, ঘন দুধ কোয়ার্টার কাপ, মেরি বিস্কুট এক প্যাকেট ও সøাইস করে কাটা লাল চেরি আধা কাপ।

প্রস্তুত প্রণালি : উপরের সব উপকরণ এক সঙ্গে মিলিয়ে ভালোমতো নেড়ে ফোমের মতো করে নিন। এবার বাটিতে ওই ক্রিমের মিশ্রনটি অল্প করে নিয়ে প্রলেপ দিন। এরপর মেরি বিস্কুট একের পর এক সাজান। আবার ওপরে ক্রিম ও বিস্কুট দিন। এবার বাকি ক্রিমটুকু দিন। এরপর সবার ওপরে চেরি সøাইস দিয়ে ডেকোরেশন করে দিন। রেফ্রিজারেটরে ২-৩ ঘণ্টা রেখে দিন। জমে গেলে ডেজার্ট টি চায়ের সঙ্গে পরিবেশন করুন।

ডাব-নারিকেলের পুডিং

উপকরণ : ডাবের পানি ৪ কাপ, নারিকেলের দুধ ৪ কাপ, চিনি এক কাপ, চায়না গ্রাস এক কাপ ও ডাবের শাঁস এক কাপ।

প্রণালি : চায়না গ্রাস ছোট ছোট টুকরো করে নিয়ে গরম পানিতে ভিজিয়ে রাখুন। প্রথমে ডাবের পানির সঙ্গে আধা কাপ চিনি ও আধা কাপ চায়না গ্রাস মিশিয়ে চুলায় জাল দিন। ঘন হলে সাদা কাচের বাটিতে চেলে এর ওপর ডাবের শাঁস কুচি কুচি করে কেটে দিন। এবার ঠা-া হয়ে জমে গেলে নারিকেল দুধ এবং বাকি আধা কাপ চিনি ও আধা কাপ চায়না গ্রাসসহ চুলায় আবার জ্বাল দিন। ঠা-া হয়ে জমে গেলে রেফ্রিজারেটরে রেখে দিন। পরে তা কেটে পরিবেশন করুন।
বিশেষ দ্রষ্টব্য : ইচ্ছা করলে চিনি স্বাদ অনুযায়ী কম-বেশি দিতে পারেন।

 

____________________
 রেসিপি : শায়লা পারভীন
 ছবি : শোভন আচার্য্য অম্বু

প্লাটিনামে সন্ধ্যা

 


সবজি বাহার
উপকরণ : ফুলকপি, গাজর পেপে, আলু, ব্রকলি, বরবটি কিউব কাট, পেঁয়াজ কুচি ২টি মাঝারি, রসুন কুচি ১টি মাঝারি, আস্ত জিরা ১-২ চামচ, পাঁচফোড়ন ১-২ চামচ, কাঁচামরিচ ৪টি, সয়াবিন তেল ৪ টেবিল চামচ, হলুদ গুঁড়া ১ চামচ, শুকনা মরিচ ১-২ চামচ, আদা পেস্ট ১ চামচ, ধনিয়াপাতা কুচি ৫০  গ্রাম ও লবণ পরিমাণমতো।
প্রস্তুত প্রণালী : একটি পাত্রে পরিমাণমতো তেল দিয়ে পেঁয়াজ কুচি, রসুন কুচি, আস্ত জিরা ও পাঁচফোড়ন দিয়ে হালকাভাবে নাড়াচাড়া করতে হবে। বাদামি রঙ হওয়ার পর আদা বাটা, হলুদ গুঁড়া, শুকনা মরিচ গুঁড়া দিয়ে একটু নাড়তে হবে। এরপর পানি দিয়ে ভালোভাবে কষিয়ে নিতে হবে। কষানোর পর সব সবজি দিয়ে ২-১ মিনিট নাড়তে হবে। তারপর পানি পানি দিয়ে ঢেকে রাখতে হবে ১২-১৫ মিনিট। এরপর ধনিয়াপাতা কুচির সঙ্গে মজাদার সবজি বাহার পরিবেশন করুন পরোটা অথবা নানরুটি দিয়ে।



চিকেন আচারী টিক্কা
উপকরণ : ২০০ গ্রাম চিকেন, লবণ  স্বাদমতো, লেবুর রস এক চা-চামচ, টক দই দুটি স্পুন, চিকেন পাওডার ১-২ স্পুন এবং কালমিরি চিলি পাউডার, শুকনো মরিচ গুঁড়া, চারু মশলা, বিট লবণ, সরিষার তেল, আচার ও কাবাব মশলা পরিমাণমতো।
প্রস্তুত প্রণালী : একটি মুরগি থেকে ৪ ভাগের ১ ভাগ নিতে হবে। লবণ ও লেবুর রস দিয়ে কিছুক্ষণ রেখে দিতে হবে। সব মশলা মিলিয়ে সসের সঙ্গে চিকেন মাখিয়ে আধা ঘণ্টা রেখে দিতে হবে। এরপর গ্রিলে ১৫ মিনিট গ্রিল করে নিতে হবে। তারপর লবণ, পরোটা রুহিতা অথবা পুদিনা চাটনির সঙ্গে পরিবেশন করতে হবে।



 

গ্রিল কিংপোর্ণ উইথ সুইট চিলি সস্
উপরকণ : তিন পিস বড় সাইজ স্প্রন, গারলিক কিমা এক চামচ, দুই চামচ অলিভ অয়েল, লেটুস পাতা এক সিস, কিমা এক চামচ, আনারস কিমা এক চামচ, অর্ধেক মাল্টা, একটি লেবে এবং সুকন্দ মিষ্টি মরিচ, সাদা গোল মরিচ গুঁড়া, ওয়েন্টার সস ও লবণ পরিমাণমতো।
প্রস্তুত প্রণালী : তিন পিস চিংড়ি মাছ লবণ ও লেবুর রস দিয়ে ১০ মিনিট রেখে দিতে হবে। একটি ফ্রাই স্পন নিতে হবে। তারপর স্পনটি গরম করে বাটার ও গারলিক দিয়ে কিছুক্ষণ নাড়তে হবে। এরপর কফিসহ সব উপকরণ এক সঙ্গে ঢেলে দিয়ে ১০ থেকে ১৫ মিনিট গরম করতে হবে। এবার চিংড়ি মাছগুলো গ্রিল করে নিতে হবে। গ্রিল হওয়ার পর একটি প্লেটে রেখে সুন্দর করে সালাদ ও মাল্টা দিয়ে সাজিয়ে সুইচ চিলির সসের সঙ্গে গরম গরম ডারিবেলন করতে হবে।
 


 

চিকেন কেশনাট সালাদ
উপকরণ : শসা মাঝারি একটি, টমেটো মাঝারি একটি, কেপসিকাম মাঝারি একটি, পেঁয়াজ মাঝারি একটি, কাঁচামরিচ দুটি কুচি, ধনিয়াপাতা ৫০ গ্রাম, চিকেন ২০০ গ্রাম, কেশনাট ১০০ গ্রাম, সয়াবিন তেল দুই টেবিল চামচ, লেবুর রস এক চা-চামচ, ডিম একটি, ময়দা এক-চামচ, কর্নফ্লাওয়ার এক চামচ, লবণ পরিমাণমতো চিনি ১-২ চামচ ও সাদা গোল মরিচ গুঁড়া ১-২ চামচ।
প্রস্তুত প্রণালী : চিকেন কিউব ফাট করে কেটে ডিম, ময়দা কর্নফ্লাওয়ার, সাদা গোল মরিচে মাখিয়ে গরম তেলে বাদামি করে নিতে হবে। এর সঙ্গে কেশনাটও বাদামি করে ভেজে নিতে হবে। এবার একটি পাত্রে কিউব কাট করা সবজিগুলোর সঙ্গে লবণ, চিনি, সাদা গোল মরিচের গুঁড়া, কাঁচামরিচ, চিলি সস দিয়ে মেখে নিতে হবে। এরপর ধনিয়াপাতা কুচি দিয়ে পরিবেশন করুন মজাদার কেশনাট চিকেন সালাদ।
 

রেসিপিঃ প্লাটিনাম সুইটস

ছবিঃ শোভন মাহমুদ

আমিষ নিরামিষ

 

ফারসি বিফ/ সাদা মাংস
উপকরণ:
খাসির মাংস/ গরুর মাংস - ১/২ কেজি, শুকনা মরিচ ৩-৪টি, ধনে -১/২ টেবিল চামপ, আদা- ১/২ টেবিল চামচ, রসুন- ৫/৬ কোস, পিয়াজ টুকরা- ১ কাপ, জিরা- ১ চা চামচ, গোল মরিচ- ১/২ চা চামচ, এলাচ- ২টি, দারুচিনি- ২ সে.মি./২-৩ টুকরা, দুধ- ২কাপ, চিনি- স্বাদমত, ঘি/তেল - ১/২ কাপ।

প্রস্তুত প্রণালি:
হাড় ছাড়া মাংস ৫০০ গ্রাম। মাংসে মরিচ, ধনে, আদা, রসূন, পিয়াজ সিদ্ধ হওয়ার পর আঁচ কমিয়ে এবং ডেকে উনুনে চাপান। সিদ্ধ হওয়ার পর আঁচ কমিয়ে দিন।
মাংস সিদ্ধ হলে বাকি সব উপকরণ ও লবন দিয়ে অল্প নাড়তে হবে। তেল ফুটলে নামিয়ে পরিবেশন করুন মজাদার ফারসি বিফ/সাদা মাংস
পরিবেশনের সময় পেয়াজ বেরেস্তা/ সিদ্ধ ডিম ধনে পাতা/ পুদিনা পাতা দিতে পারেন।


বিফ ফ্রানজি
উপকরণ:
মাংস হাড় ছাড়া ৫০০ গ্রাম, আদা বাটা-১ চা চামচ, তেল ১/৩ কাপ, গোল মচির- ১/২ কাপ, পিয়াজ স্লাইড-১/৩ কাপ, লবন- স্বাদমত, কাচামরিচ- ৬টি, সিরকা- টেবিল চামচ।

প্রস্তুত প্রণালি:
মাংস টুকরা করে সামান্য থেঁতো করে নিন। আদাঁ, গোল মরিচ, লবন, সিরকা দিয়ে মাখিয়ে ৩-৪ ঘন্টা ভিজিয়ে রাখুন। তেলে পিয়াজ লাল করে ভেজে তেল ছেকে পিয়াজ বেরেস্তা তুলে রাখুন। ফ্রাই প্যানে মাংস দিয়ে ভাজুন।
পানি বের হলে ঢেকে মৃদু আঁচে রাখুন। পানি শুকিয়ে মাংস সিদ্ধ হলে পিঁয়াজ, কাচা মরিচ দিয়ে ভেজে নামান। পরোটা/ রুটি/ সাদা ভাত এর সাথে পরিবেশন করুন।

 

ক্রিম সালাদ ড্রেসিং
উপকরণ:
চিনি-১/২ চা চামচ, লবন- ১/২ চা চামচ, মচিরগুড়া- ১/৪ চা চামচ, পিয়াজ কুচি-১ চা চামচ (ইচ্ছা), ক্রিম বা ঘন দুধ- ৩ টেবিল চামচ, সিরকা- ১ টেবিল চামচ।

প্রস্তুত প্রণালি:
চিনি, লবন, মরিচ, পিয়াজ একসাথে ক্রিম দিয়ে মিশান। অল্প সিরকা দিয়ে সেন্ট ঘন হলে আর ফেটবেন না।

 

 

মিক্সড ভেজিটেবল সালাদ
উপকরণ:
ফুলকপি - ১/২ কাপ, বাধাকপি - ১/২ কাপ, গাজর - ১/২ কাপ, টমাটো - ১/২ কাপ, শসা - ১/২ কাপ, পেঁয়াজ - পরিমাণ মত, গোল মরিচ - ১/২ চা চামচ (পরিমাণ মত), লেবুর রস - ২-৩ টেবিল চামচ।

প্রস্তুত প্রণালি:
ফুলকপি, বাধাকপি, ভাপে সিদ্ধ করে নিন। সিদ্ধ করা হলে একে একে সব সবজির সাথে পেঁয়াজ, কাচামরিচ, গোল মরিচ, লেবুর রস দিয়ে মিশাতে হবে। ডিসে নামিয়ে পরিবেশন করুন।

 

 


রেসেপি তানভীর ইসলাম
ছবি : ইমাম হাসান ইমন

Page 1 of 2

About Us

Lorem ipsum dolor sit amet, consectetur adipisicing elit, sed do eiusmod tempor incididunt ut labore et dolore magna aliqua.

Duis aute irure dolor in reprehenderit in voluptate velit esse cillum dolore eu fugiat nulla pariatur.

Read More

We use cookies to improve our website. By continuing to use this website, you are giving consent to cookies being used. More details…