Super User

Super User

Page 4 of 24

ঈদে নানান পদ ...

 

 

মেরি ক্রিম ডিলাইট

উপকরণ : ডানো ক্রিম এক টিন, কনডেন্সড মিল্ক আধা টিন, টক দই কোয়ার্টার কাপ, ঘন দুধ কোয়ার্টার কাপ, মেরি বিস্কুট এক প্যাকেট ও সøাইস করে কাটা লাল চেরি আধা কাপ।

প্রস্তুত প্রণালি : উপরের সব উপকরণ এক সঙ্গে মিলিয়ে ভালোমতো নেড়ে ফোমের মতো করে নিন। এবার বাটিতে ওই ক্রিমের মিশ্রনটি অল্প করে নিয়ে প্রলেপ দিন। এরপর মেরি বিস্কুট একের পর এক সাজান। আবার ওপরে ক্রিম ও বিস্কুট দিন। এবার বাকি ক্রিমটুকু দিন। এরপর সবার ওপরে চেরি সøাইস দিয়ে ডেকোরেশন করে দিন। রেফ্রিজারেটরে ২-৩ ঘণ্টা রেখে দিন। জমে গেলে ডেজার্ট টি চায়ের সঙ্গে পরিবেশন করুন।

আনারসের জর্দা

উপকরণ : ডানো ক্রিম এক টিন, কনডেন্সড মিল্ক আধা টিন, টক দই কোয়ার্টার কাপ, ঘন দুধ কোয়ার্টার কাপ, মেরি বিস্কুট এক প্যাকেট ও সøাইস করে কাটা লাল চেরি আধা কাপ।

প্রস্তুত প্রণালি : উপরের সব উপকরণ এক সঙ্গে মিলিয়ে ভালোমতো নেড়ে ফোমের মতো করে নিন। এবার বাটিতে ওই ক্রিমের মিশ্রনটি অল্প করে নিয়ে প্রলেপ দিন। এরপর মেরি বিস্কুট একের পর এক সাজান। আবার ওপরে ক্রিম ও বিস্কুট দিন। এবার বাকি ক্রিমটুকু দিন। এরপর সবার ওপরে চেরি সøাইস দিয়ে ডেকোরেশন করে দিন। রেফ্রিজারেটরে ২-৩ ঘণ্টা রেখে দিন। জমে গেলে ডেজার্ট টি চায়ের সঙ্গে পরিবেশন করুন।

ডাব-নারিকেলের পুডিং

উপকরণ : ডাবের পানি ৪ কাপ, নারিকেলের দুধ ৪ কাপ, চিনি এক কাপ, চায়না গ্রাস এক কাপ ও ডাবের শাঁস এক কাপ।

প্রণালি : চায়না গ্রাস ছোট ছোট টুকরো করে নিয়ে গরম পানিতে ভিজিয়ে রাখুন। প্রথমে ডাবের পানির সঙ্গে আধা কাপ চিনি ও আধা কাপ চায়না গ্রাস মিশিয়ে চুলায় জাল দিন। ঘন হলে সাদা কাচের বাটিতে চেলে এর ওপর ডাবের শাঁস কুচি কুচি করে কেটে দিন। এবার ঠা-া হয়ে জমে গেলে নারিকেল দুধ এবং বাকি আধা কাপ চিনি ও আধা কাপ চায়না গ্রাসসহ চুলায় আবার জ্বাল দিন। ঠা-া হয়ে জমে গেলে রেফ্রিজারেটরে রেখে দিন। পরে তা কেটে পরিবেশন করুন।
বিশেষ দ্রষ্টব্য : ইচ্ছা করলে চিনি স্বাদ অনুযায়ী কম-বেশি দিতে পারেন।

 

____________________
 রেসিপি : শায়লা পারভীন
 ছবি : শোভন আচার্য্য অম্বু

ঈদের মেকআপ

 



যে কোনো সাজ, সাধারণত পোশাক আবহাওয়া এবং দিন-রাত ও সময়ের ওপর নির্ভরশীল। তাই উল্লেখিত বিষয়গুলো বিবেচনায় রেখে সাজার পরিকল্পনা করা উচিত। আর ঈদ মানেই আনন্দ উৎসব। এই আনন্দে নতুন মাত্রা যোগ করতে চাই বিশেষ সচেতনতা। এবার ঈদের সাজে বৃষ্টির বিষয়টি মাথায় রেখে ব্যবহার করা উচিত ওয়াটার প্রুপ কসমেটিক।

চলুন দেখে নেয়া যাক স্পা বিশেষজ্ঞ ‘হারমনি স্পা’ ও ‘ক্লিওপেট্রা বিউটি স্যালনের স্বত্বাধিকারী রাহিমা সুলতান রীতা এবার ঈদ উপলক্ষে সাজ বিষয়ে কী বলেছেন-

মেকআপ করার আগে কিছু বিশেষ টিপস মেনে চলা উচিত। মেকআপের আগে আলু ও শসার রস এক সঙ্গে মুখে মাখুন। এতে ত্বকে তরতাজা ভাব আসবে। ময়েশ্চরাইজার অবশ্যই লাগাতে হবে। এ কারণে ত্বকের আর্দ্রতা বজায় থাকবে এবং শুষ্ক হওয়া থেকে প্রতিরোধ করবে।

মুখের মেকআপ

ফাউন্ডেশন : শুরুতেই ত্বকে কোনো দাগ থাকলে কনসিলার দিয়ে ঢেকে নিন। এরপর ত্বকের ধরন অনুযায়ী ফাউন্ডেশন নির্বাচন করুন। যেমনÑ শুষ্ক ত্বক হলে ওয়াটার বেইজড ফাউন্ডেশন ব্যবহার করুন। ত্বকের ধরন অনুযায়ী ফাউন্ডেশন ব্যবহার করলে মেকআপ অনেক সময় থাকে। তবে ফাউন্ডেশন ব্যবহার করার সময় ত্বকের রঙের চেয়ে এক শেড হালকা রঙ বেছে নিন। এরপর একটি ভেজা স্পঞ্জ দিয়ে ত্বকে ভালোভাবে ব্লেন্ড করে বেইজ বসিয়ে নিন। পরে কমপ্যাক্ট পাউডার দিয়ে বেইজ মেকআপ শেষ করুন।
ব্লাশন : শুষ্ক ত্বকে ক্রিম ব্লাশন ও তৈলাক্ত ত্বকে পাউডার ব্লাশন দিন। এবার চিক-বোনের ওপর ব্লাশন বুলিয়ে নিন। আপনার গায়ের রঙ উজ্জ্বল, হালকা পিংক বা পিচ কালার ও গাঢ় হলে ব্রোঞ্জ কিংবা ব্রাউন কালারের ব্লাশন ব্যবহার করুন। আর রাতের পার্টি হলে ব্লাশনের ওপর হালকা শিমার ব্যবহার করলে মেকআপ আরো গর্জিয়াস হবে।

চোখের মেকআপ

শুরুতেই আইশ্যাডো ফিক্সার জেল লাগিয়ে ৫ মিনিট রাখুন। তবে চোখ আর্কষণীয় করতে হলে শ্যাডোর ব্লেন্ডিং খুব ভালো করতে হবে। এ জন্য নাকের পাশে হালকা রঙ, মাঝে বা আইবলের ওপর গাঢ় রঙ এবং চোখের বাইরের কোণে হালকা রঙের শেড দিন। চোখ যদি ছোট হয় তাহলে চোখের বাইরের কোণে হালকা কালো কালারের শেড ব্যবহার করলে চোখ বড় দেখাবে। আপনার চোখের সাজ হবে সফট স্মোকি। আই ভ্রƒ-বোন এর ওপর লাইট শিমারিং শ্যাডো দিয়ে হাইলাইট করুন।

ঠোঁটের মেকআপ

ঠোঁটের মেকআপ শুরুর আগে অবশ্যই বেইজ মেকআপ করে নিতে হবে। তাহলে লিপস্টিকের রঙ হবে দীর্ঘস্থায়ী এবং আসল রঙ চলে আসবে। প্রথমে উপরের ঠোঁটের দুই ভাঁজের সেন্টার পয়েন্ট থেকে ন্যাচারাল কালারের লাইনার দিয়ে নিচের ঠোঁট পর্যন্ত এঁকে নিন। এবার পোশাকের রঙের সঙ্গে মিলিয়ে লিপস্টিক দিন। লিপস্টিক ব্যবহার করার পর টিশু পেপার দুই ঠোঁটের মধ্যে রেখে চাপ দিয়ে নিলে সহজে কালার উঠে যাবে না। এরপর ঠোঁটের ওপর ন্যাচারাল টোনের লিপগ্লসও দিতে পারেন।

চুলের সাজ

সাজের জন্য চুল খুব গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায়। পরিপাটি চুলের সাজ রুচিশীল ব্যক্তিত্বের পরিচায়ক। চুল সাজবে তো সাজবেন আপনি। তাই ঈদের জন্য আপনার চুলের সাজ ঠিক করুন আগে থেকেই। সাজের এই বিশেষ দিকটায়  যেন কমতি না হয় এদিকটাতেও লক্ষ্য রাখুন। তবে পোশাক, গহনা ও মেকআপের সঙ্গে মিল রেখে চুলের সাজও হওয়া চাই পারফেক্ট। এ সময় কেউ চাইলেই চুল ছেড়ে রাখতে পারেন আবার আলতো করে খোঁপা করেও রাখতে পারেন।

 

____________________________
মডেল : টুম্পা জামান
মেকওভার : ক্লিওপেট্রা বিউটি স্যালন
ছবি : শোভন আচার্য্য অম্বু

এই ঈদে আপনি...

 

 



ঈদ শব্দটি শুনতেই প্রথমে যে ভাবনা মাথায় আসে তা হলো  আনন্দ উৎসব। এটি বহু প্রতীক্ষিত খুশির আমেজে ভরপুর এক ধর্মীয় অনুষ্ঠান। এই আনন্দে জড়িয়ে থাকে নানান আয়োজন। আর এই আয়োজনে নিজেকে আকর্ষণীয় করে তোলার ইচ্ছা কার না থাকে! দীর্ঘ এক মাস রোজা পালনের পর বেশভূষায় ও সোন্দর্য চর্চার মধ্য দিয়ে নিজেদের উপস্থাপন করার কথা সবাই ভাবেন। এ সময় বিভিন্ন প্রস্তুতি থাকে, থাকে আয়োজন। তাই আপনার ত্বকের যত্ন থেকে শুরু করে মেহেদি, হেয়ারকাট- সবকিছুর আলোচনা থাকছে
‘সহজ’-এর ঈদ আয়োজনে।  


যত্নআত্তি
এক মাস সিয়াম সাধনা আর সবার জন্য সেহরি ও ইফতারের প্রস্তুতিতে আমরা মেয়েরা নিজের যতেœর কথা ভুলেই যাই। যদিও বা মনে থাকে তাহলেও যত্ন নেয়ার ইচ্ছা বা সময় অনেকেরই হয়ে ওঠে না। নিজের ও সবার জন্য মনমতো ঈদ শপিং এবং রান্নার আয়োজন শেষে ঈদের দিনে ক্লান্ত-পরিশ্রান্ত দেহ আর শুষ্ক কিংবা মলিন ত্বক নিয়ে আমরা কেউই খুশি থাকতে পারি না। চলুন তাহলে জেনে নিই কীভাবে ঈদের দিন আরো আকর্ষণীয়ভাবে নিজেকে উপস্থাপন করতে পূর্ব-প্রস্তুতি কীভাবে নিতে হবে।
ঈদে সবাই নিজেকে ভিন্নভাবে উপস্থাপন করতে চায়। এ জন্য শত ব্যস্ততার মধ্যেও আপনাকে এক সপ্তাহ আগে থেকে প্রস্তুতি নিতে হবে। এবার ঈদ হবে বর্ষায়। গরম, বর্ষাÑ যাই হোক না কেন, নিজের নতুন ঈদ লুক দিতে আপনাকে কিছুটা সময় তো বরাদ্দ করতেই হবে।

ত্বক : রোদ আর গরমে আমাদের ত্বক প্রাণবন্ত রাখতে হলে নিয়মিত ক্লিনজিং, টোনিং ও ময়েশ্চারাইজিং জরুরি। প্রতিদিন নিয়ম করে ত্বকের যত্ন নিতে হবে। সাত দিন আগে থেকেই প্রস্তুতি নিন। স্ক্র্যাবিং করুন। প্রতিদিন বাজারে নানান স্ক্র্যাবার পাওয়া যায়। চাইলে রান্নাঘরের উপকরণও ব্যবহার করতে পারেন। চালের গুঁড়া খুব ভালো স্ক্র্যাবার। একদিন পর পর বেসন গুঁড়া ও দুধ মিক্স করে মুখ, গলা, হাত, পা ও পিঠে ব্যবহার করুন। এতে আপনার ত্বক অনেক উজ্জ্বল হবে। শ্যামলা মেয়েরা একটু হলুদ গুঁড়া মিক্স করে নেবেন এর সঙ্গে। এছাড়া উজ্জ্বল ও মসৃণ ত্বকের জন্য ঈদের কমপক্ষে তিন দিন আগে হাত-পায়ে ওয়াশ করান। এর সঙ্গে পুরো শরীরে সপ্তাহে তিনবার বেসন গুঁড়া, হলুদ গুঁড়া, ডিমের সাদা অংশ, দুধ ও মধু মিক্স করে ব্যবহার করুন। ফেসিয়াল করতে চাইলে তা ঈদের কমপক্ষে চার-পাঁচ দিন আগেই করে ফেলুন। ঈদের দিন শুধু মুখের সৌন্দর্য যথেষ্ট নয়Ñ মলিন হাত ও পায়ের ত্বক পুরো সাজ ম্রিয়মাণ করে দেবে। তাই সাত দিন আগে থেকেই পুরো শরীরের ত্বকের যত্ন নিতে থাকুন।

চুল : ঈদে নতুন হেয়ারস্টাইলে সবাইকে চমকে দেয়ার মজাটাই আলাদা। এক্ষেত্রে বলবো, ঈদের দু’দিন আগে পার্লারে গিয়ে প্রচ- ভিড়ের মধ্যে হেয়ারকাট না করে বরং ১৫ কিংবা ১০ দিন আগে গিয়ে বিউটি এক্সপার্টের সঙ্গে আলোচনা করে মুখের গড়ন অনুযায়ী হেয়ারকাট করুন। আমাদের সবারই মুখের গড়ন একেক ধরনের। তাই যে কাট আপনার বান্ধবীকে আরো স্টাইলিশ লুক দিয়েছে তা আপনাকে বেমানান লাগতেই পারে। সুতরাং আপনার মুখের গড়ন অনুযায়ী হোক আপনার হেয়ারস্টাইল।

মুখের গড়ন অনুযায়ী হেয়ারকাটÑ
গোলাকার শেইপ (রাউন্ড ফেইস) : গোলাকার শেপের মুখের মেয়েদের কান পর্যন্ত ব্যাসকাট খুব ভালো মানায়। এক্ষেত্রে চোখের নিচ পর্যন্ত চুল কাটাবেন। কারণ ড্রাই হওয়ার পর চুল কিছুটা উপরে উঠে যাবেই। চুলে লেয়ারকাট দিলে মুখের দু’পাশের ফোলা ভাবটা চোখে পড়ে না। এতে মুখ কিছুটা লম্বাটে দেখায়।
চারকোণা শেইপ : এ ধরনের মুখে চিবুকের অংশটি বেশ প্রশস্ত হয়। তাই আপনার চুল বেশ লম্বা হতে হবে। হেয়ারকাট এমন হতে হবে যেন চিবুকের প্রশস্ততা কম মনে হয়। চুল কার্ল করতে পারেন অথবা স্ট্রেট করে সামনে ব্যাস কাটতে পারেন। চুল যদি ছোট হয় তাহলে পেছনে গোল করে কাটুন। লেয়ারকাটও এ ধরনের মুখের জন্য খুব ভালো। এতে মুখের চওড়া ভাবটা বোঝা যায় না।
লম্বাটে শেইপ : লম্বা মুখে স্টেইট হেয়ার মুখটিকে আরো লম্বা করে। চুল উঁচু করে বাঁধবেন না। পনিটেল না করে সাইড ব্রেইড ট্রাই করতে পারেন। স্টেপকাট দিতে পারেন। স্পাইরিল বা কার্ন করে নিতে পারেন।
ডায়মন্ড শেইপ : এই শেপের ফেইস প্রশস্ত হয় আবার লম্বাটে গড়নেরও হয়। গালের হাড় যেন ছোট দেখায় এ জন্য কপাল ও চিবুকের সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে চুল কাটতে হবে। ইদানীং এমু-কাট খুব জনপ্রিয়। লেয়ারকাটও দিতে পারেন।
ওভাল শেইপ : ওভাল শেপ অনেকটাই পারফেক্ট শেপ। তাই পনিটেল, উঁচু করে চুল বাঁধা, যে কোনো হেয়ারস্টাইল ও কাট এতে মানিয়ে যায়।
হার্ট শেইপ : সরু চিবুক ও প্রশস্ত কপালই হাট শেপ ফেইসের বৈশিষ্ট্য। কপাল ঢাকা থাকে এমন কাট তথা চায়নিজ কাট, ব্যাস ট্রাইল করুন। ছোট চুল হলে ববকাট খুব মানায়। লম্বা চুল হলে লেয়ারকাট দিতে পারেন। পেছনে আর সামনে ব্যাসকাট খুব ভালো মানাবে।

চুলের যত্ন
    শুধু স্টাইলিশ হেয়ারকাট দিলেই হবে না। রুক্ষ চুলে কোনো হেয়ারস্টাইলই ফুটে ওঠে না।
    চুলের যতেœ দুই মাস অন্তর চুলের আগা কেটে ফেলুন।
    নিয়মিত চিরুনি ও হেয়ারব্রাশ পরিষ্কার করুন।
    নিয়মিত নারিকেল তেল চুল ও মাথার ত্বকে মাসাজ করুন। আজকাল বিভিন্ন হেয়ার ট্রিটমেন্ট করা হয় পার্লারে। সেগুলোও করাতে পারেন। বাসায় যখন চুলে তেল দেবেন তখনই ভিটামিন ‘ই’ ক্যাপসুল মিক্স করে নেবেন।
    চুলের যতেœ অলিভ অয়েলও খুব ভালো।
       চুল পড়া কমাতে ও চকচকে ভাব আনতে চায়ের কড়া লিকারের সঙ্গে কাগুজি লেবুর রস মেশান। চুল ধোয়ার পর সব শেষে এ মিশ্রণটা ব্যবহার করুন।
   চুলের জন্য অ্যালোভেরা খুবই উপকারী। চুলে অ্যালোভেরা জেল দিয়ে রাতে রেখে দিন। শাওয়ার ক্যাপ দিয়ে পুরো মাথা ঢেকে নিন। ঘুম থেকে উঠে চুল ধুয়ে নিন। এতে নিজের চুলের সৌন্দর্যে নিজেই অবাক হবেন।

মেহেদি রাঙা ঈদ
ঈদের চাঁদ উঠলেই বাড়ির নারীদের মেহেদির পাতা বেটে রাতভর হাতে লাগিয়ে রাখার দৃশ্য ওই ছোটবেলা থেকেই আমাদের স্মৃতিতে উজ্জ্বল। দিন বদলেছে, ফ্যাশন বদলেছে। কিন্তু মেহেদির সাজে হাত রাঙানো না হলে ঈদের আমেজটাই যেন পাওয়া যায় না! তাই পার্লারে গিয়ে দু’হাতভরে নিত্যনতুন ডিজাইনে হাত রাঙাতে ঈদের আগের রাতে মেয়েরা ব্যস্ত হয়ে যান। তবে বাটা মেহেদির চলনটা আজও আছে। পাড়া-মহল্লায় যে মেয়েটি খুব সুন্দর করে হাতে
‘মেহেদি ডিজাইন’ আঁকতে পারে, নিশ্চিতভাবেই চাঁদরাতে তার বাড়িতে ভিড় করে কিশোরীরা। দিন দিন মেহেদির নকশাতেও আসছে পরিবর্তন। সাধারণত তিন ধরনের ডিজাইন তথা লঙ্কা, ফুলেল ও ময়ূরÑ এগুলো সব সময়ই মেয়েদের পছন্দ। এখন ছোট করে বিভিন্ন মোটিফের ডিজাইন বেশ চলছে। হাতের ওপরিভাগে ছোট ডিজাইন কিংবা চেইন বেশ লাগে দেখতে। আজকাল কনুই পর্যন্ত মেহেদি পরার চলনটা বেশ।
পরিবর্তিত ফ্যাশনের মতো টিউব মেহেদিতেও ভিন্নতা এসেছে। ব্ল্যাক মেহেদি গ্লিটার, ড্রেসের সঙ্গে কালার ম্যাচ করে অনেকেই মেহেদি পরছেন। টিনএজারদের অনেকে চোকার-এর ডিজাইনে গলায় মেহেদি পরে ভিন্নভাবে নিজেকে উপস্থাপন করছে।
আজকাল নেইল আর্ট বেশ জনপ্রিয়। তবে হাতে মেহেদি পরলে সাদা নেইলপলিশ, মেরুন নেইলপলিশ, ফ্রেঞ্চ ম্যানিকিউর বেশ ভালো মানায়। নেইল আর্ট পছন্দমতো করে নিলেও খেয়াল রাখবেন তা যেন মেহেদিটিকে ছাপিয়ে না যায়।
আজকাল আর সারা রাত হাতে মেহেদি রাখতে হয় না। দ্রুত শুকিয়ে যাওয়া গাঢ়রাঙা মেহেদি টিউব বাজারে পাওয়া যায়। এগুলো ব্যবহার করতে পারেন। মেহেদি শুকিয়ে গেলে ডিজাইনের ওপর সরিষার তেল কিংবা কাগুজি লেবুর রস ও চিনির মিশ্রণ দিতে পারেন। ওই মিশ্রণ ব্যবহার করলে তা শুকিয়ে যাওয়া পর্যন্ত অপেক্ষা করুন। বেশিদিন রঙ ঠিক রাখতে হলে হাতে যথাসম্ভব কম সাবান ও পানি ব্যবহার করুন। অনেকেই জানান, টিউব মেহেদি ব্যবহারে তাদের হাতে র‌্যাশ বা অ্যালার্জি হয়েছে। এর কারণ হলো, বাজারের টিউব মেহেদিতে বিভিন্ন রাসায়নিক পদার্থ ব্যবহƒত হয়। অ্যালার্জি এড়াতে ল্যাকটোক্যালামাইন লোশন ব্যবহার করার পর মেহেদি দিন।   

রমজানের দীর্ঘ এক মাস সিয়াম সাধনায় ত্যাগ-তিতিক্ষার মধ্য দিয়ে যে আত্মসুদ্ধি হয়, ঈদের দিনটি আসে এরই উপহারস্বরূপ। বছরের সব আনন্দ উপচে পড়ার দিন এই ঈদ। নতুন পোশাক ভালো খাবার আর আত্মীয়স্বজন, বন্ধুবান্ধবের সঙ্গে পুনর্মিলন যেন পরিপূর্ণ করে এইদিনটিকে। তাই ঈদে সবারই চাই বাড়তি সৌন্দর্যে নিজেকে বিকশিত করা।
 

____________________
 লেখা :  ফারহাতুল জান্নাত
 মডেল :  বারিষ হক
 ছবি :  সহজ আর্কাইভ

সুইমিং রিক্রিয়েশন



কার্ডিও ভাস্কুলার ফিটনেস বজায় রাখার জন্য সাঁতার সবচেয়ে উন্নততর পন্থা। সাঁতার এমন একটি ব্যায়াম যা ল্যান্ড বেইজড ব্যায়াম থেকে সম্পূর্ণ ভিন্ন। জলরাশির নিজস্ব একটা চাপ রয়েছে। ফলে পানিতে প্রথম নিজেকে ভাসিয়ে রাখতে ও সামনে এগিয়ে নিয়ে যওয়া শিখে নিতে হয়। কার্ডিওর পেশেন্টের জন্য সাঁতারের চেয়ে উৎকৃষ্ট ব্যায়াম আর দ্বিতীয়টা নেই। তবে ডাক্তারের পরামর্শ প্রয়োজন। একই সঙ্গে হৃৎপি- ও শরীরের সব পেশী সমানভাবে কাজ করে। সুইমিংপুলে সাঁতারের একটি বড় সুবিধা হলো পুলের নিরাপত্তা, শীতল ও মনোরম পরিবেশ। তা শরীর ও মনে অন্য রকম প্রশান্তি এবং ফুরফুরে মেজাজ এনে দেয়। ছয় ঋতুর নিজস্ব স্বাধীনতা থাকলেও আমরা বছরের প্রায় সাত মাসই গরম অনুভব করি। বিশেষত আমাদের ঢাকা শহরে গ্রীষ্ম তথা গরম মৌসুমে দাবদাহ চলে, তখনই এই স্বচ্ছ জ্বলাধার আমাদের শীতল পরশ এনে দেয়। তবে সাঁতারের ক্ষেত্রে আপনাকে কিছু সাবধানতা অবলম্বন করতে হবে। যদি আপনি মৃদু উত্তেজনা বোধ করেন তাহলে ধীরগতিতে সাঁতরাবেন। জলের বিরুদ্ধে না গিয়ে জলের সঙ্গে কাজ করুন। প্রতিযোগিতামূলক সাঁতারের অভ্যাস না থাকলে কখনোই অন্য সাঁতারুর সঙ্গে প্রতিযোগিতা করা ঠিক নয়।
যাদের শারীরিক গঠন, আপার বডি অথবা উইংস প্রশস্ত এবং লোয়ার বডি সরু, অনেকটা সার্ফ বোর্ড বা রূপকথার মার্মেইডের মতো তারা বাড়তি সুবিধা পায় সাঁতারে। এক্ষেত্রে সমাধান একটাই, আরামদায়ক গতিতে নিজের সঙ্গে মানিয়ে সাঁতার কাটা।


সারা দিন ফুরফুরে আমেজ ধরে রাখার জন্য অনেকেই সকালেই সুইমিংপুলে যান। প্রচ- গরমের কারণে কেউ বা আবার দুপুর, কেউ সারা দিনের কর্মব্যস্ততা সেরে নির্ভেজাল প্রশান্তি খোঁজার জন্য সন্ধ্যার পরও সুইমিংপুলে যান। সর্বাধিক ফ্যাট কমানোর জন্য সাঁতারের বিকল্প নেই। খালি পেটে সাঁতার করতে পারেন। এক্ষেত্রে আপনার শরীরের জ¦ালানি অর্থাৎ ক্যালরির দিকে নজর রাখতে হবে।
যেহেতু আমাদের রাজধানী অর্থাৎ ঢাকা শহরে সাঁতারের উপযোগী কোনো জলাধার নেই সেহেতু আপনাকে সুইমিংপুলে যেতে হবে। সুইমিংপুলে সময় দেয়া একটা বড় রকমের বিনোদনও বটে।
পরিবারের সবাইকে সঙ্গে নিয়ে পুলে যেতে পারেন। আর শিশুদের কথা বলতে গেলে বলা যায়, তাদের কাছে পুল একটুকরো স্বর্গ। তবে সাঁতারের ইনিশিয়াল ট্রেনিং থাকতেই হবে। বড়দেরও শিশুদের পাশাপাশি অবস্থান করতে হবে। এখন শুধু পাঁচতারা হোটেলগুলোর মধ্যেই সুইমিংপুল সীমাবদ্ধ নেই। কেউ কেউ বাড়তি সৌন্দর্য সৃষ্টির জন্যই বাড়িতেই পুল তৈরি করছেন। আধুনিক আর্কিটেক্টরাও বাড়িতে সুইমিংপুল রাখার পরামর্শ দেন। এতে বাড়ির সৌন্দর্য ও আভিজাত্য বহুগুণে বৃদ্ধি পায়।


বাণিজ্যিক সুইমিংপুলগুলোয় সময় কাটানো কিছুটা ব্যয়বহুল। এরপরও নির্ভেজাল উৎকৃষ্ট বিনোদনের কথা মাথায় রেখে সপ্তাহের অন্তত দু’দিন আপনি সুইমিংপুলের শরণাপন্ন হতে পারেন।
শহরের বেশির ভাগ ছেলেমেয়েই সাঁতার জানে না। আর অভিভাবকরা সময়-সুযোগের কথা বলে খোঁড়া যুক্তি দেখান। জেনে রাখা দরকার, পৃথিবীর সব থেকে উন্নত দেশগুলোর মধ্যে জার্মানিসহ কয়েকটা দেশে শিশুদের সাঁতার শেখানো বাধ্যতামূলক। কিন্তু নদীমাতৃক বাংলাদেশে শহুরে ছেলে-মেয়েরা সাঁতার জানে না বললেই চলে। পুলের নিরেট স্বচ্ছ জলরাশি থেকে উঠেই ভাববেন না স্নান শেষ। এর সঙ্গে সঙ্গেই শাওয়ার নিয়ে ফেলবেন। আপনি সুইমিংপুলে যাচ্ছেন। আপনার সুইমিং কস্টিউম সঙ্গে নিয়েছেন তো?

 


______________________________


 লেখা : শাফিক মালিক
 মডেল : নাজমুল সাদ
 ছবি : শোভন আচার্য্য অম্বু
 কৃতজ্ঞতা :  শাখাওয়াত হোসেন কল্লোল

চুলের রঙে রঙিন

 




আসছে রোজার ঈদ। বছর ঘুরে আসে বহু প্রত্যাশিত এদিনটি। ঈদ মানেই আনন্দ। ঈদ মানেই উৎসব। আর এ উৎসব উপলক্ষে প্রত্যেকেরই নিজেকে নিয়ে থাকে নানান প্রস্তুতি। অন্যসব দিনের চেয়ে এদিনটি ব্যতিক্রম হওয়ায় সাজটিও হওয়া চাই আলাদা। ঈদ নিয়ে ফ্যাশনের সব শাখায় চলে অন্তহীন ব্যস্ততা। চাঁদরাত পর্যন্ত চলে অবিরাম প্রস্তুতি।


বর্তমান প্রজন্মের তরুণ-তরুণীদের চুলের ফ্যাশন নিয়ে আগ্রহ অপরিসীম। থাকে চুলের বিভিন্ন স্টাইল বা কাট এবং এর সঙ্গে চুলের বিভিন্ন রঙে রঙিন চমক। ইদানীং চুলের বাহারি রঙ নিয়ে চলছে বেশ মাতামাতি। সময়ের সঙ্গে পরিবর্তিত ফ্যাশনে স্থান করে নেয় নানান অনুষঙ্গ। কাল ও যুগের পরিক্রমায় কখনো বা নতুনত্বের পসরা নিয়ে সামনে আসে ফ্যাশনের বৈচিত্র্য, কখনো বা পুরনোকে নতুনের ছাঁচে ঢেলে তৈরি হয় অতীতের ফ্যাশনের সঙ্গে বর্তমান আধুনিকতার অপূর্ব মিশেল। ফ্যাশনের এই হাজারো উপকরণ এবং এর উপযোগিতা খুঁজে নেয় বর্তমানের ফ্যাশন দুরস্ত মন। সারা পৃথিবীতে চলছে চুলের রঙ নিয়ে রঙবেরঙের খেলা। এ খেলায় পিছিয়ে নেই বাংলাদেশের তরুণ-তরুণীরাও। চুলের রঙ কেমন হবে তা প্রত্যেকের ব্যক্তিত্বের ওপর নির্ভর করে। সাধারণত জাতি ও গোষ্ঠীর সঙ্গে চুলের রঙ সম্পর্কিত। আমাদের দেশের শতকরা ৯০ ভাগ মানুষেরই চুলের রঙ কালো। তবে কালো চুলও বিভিন্ন রঙে রাঙিয়ে চেহারায় ফুটিয়ে তোলা যায় অন্য রকমের আবেদন।


সাধারণত দুই ধরনের মেলানিনের কারণে চুলের রঙে পার্থক্য হয়ে থাকে। তা হলো ইউমেলানিন ও ফোমেলানিন। কারো চুলে ইউমেলানিন বেশি থাকলে তার চুলের রঙ গাঢ় হবে এবং পরিমাণ কম হলে হবে হালকা। তবে চুলে রাসায়নিক প্রক্রিয়ার সাহায্যে এখন সহজেই রঙ পরিবর্তন করা যায়।  চুলের রঙ স্থায়ী বা ক্ষণস্থায়ী হিসেবে শ্রেণিবদ্ধ করা হয়। এর ওপর নির্ভর করে খরচ হয়। ক্ষণস্থায়ী বলতে বোঝায়, এর স্থায়িত্ব থাকবে ৩ থেকে ৬ মাস। ছেলেমেয়েদের সবচেয়ে বেশি পছন্দ ব্লন্ড কালার বা স্বর্ণকেশী রঙ। খুব সহজেই মানিয়ে যায় এ রঙটি। তাই হয়তো এ রঙটি বর্তমানে জনপ্রিয়তার শীর্ষে।

এছাড়া আজকাল টিনএজার মেয়েরা প্রথা ভেঙে চুলের নিচের অংশটুকু নীল বেগুনি ইত্যাদি রঙেও রাঙিয়ে নিচ্ছে। বাজারে রয়েছে বিভিন্ন ব্র্যান্ডের রঙ, যেমন লরিয়েল, রেভলন, গার্নিয়ার, জেস্ট, ডাভ, গোদরেজ ইত্যাদি। এর সাহায্যে আপনার চুল বাড়িতে বসেই অনায়াসে রাঙিয়ে নেয়া যেতে পারে। তবে প্রথমবার হলে অবশ্যই কোনো ভালো পার্লার বা স্যালন-এ গিয়েই করানো উচিত।  রঙ করার আগে চুলে ব্লিচ করে নিলে রঙ কিছুদিন বেশি স্থায়ী হয়। তবে এতে চুলের ওপর নেতিবাচক প্রভাবও পড়ার আশঙ্কা থেকে যায়। আজকাল অবশ্য অনেকে মেহেদি দিয়েও চুল রঙ করতে আগ্রহী।
 

লক্ষণীয়:


   যে কোনো উৎসবের অন্তত ৫ দিন আগে চুলে রঙ করানো উচিত। এতে চুলে রঙটা ভালোমতো বসে এবং
   চেহারার সঙ্গে মানানসই হয়।
   রঙ করার পর অবশ্য চুলের বাড়তি যতœ নেয়া প্রয়োজন। আজকাল কালার প্রটেক্টেড শ্যাম্পু ও কন্ডিশনার
   পাওয়া যায় যে কোনো শপিং মল আর প্রসাধনীর দোকানে।
   বাড়তি যত্ন আপনার চুলে এনে দেবে জেল্লা আর ঝলমলে ভাব।

 

 

_____________________________

 লেখা : সোনাম চৌধুরী
 মডেল : ফারিয়া আফরিন
 মেকওভার : ক্লিওপেট্রা বিউটি স্যালন
 ছবি :  শোভন আচার্য্য অম্বু

বাহারি ব্রেসলেট

 



ইংরেজি শব্দ ব্রেসলেট বাংলা ভাষায় এমনভাবে স্থান করে নিয়েছে যে, কেউ আর এর আভিধানিক অর্থ খুঁজতে যান না। আগে শুধু শহরে এর ব্যবহার দেখা যেতো। এখন শহর ও গ্রামÑ উভয়স্থানেই ছেলেরা নিজের ইউনিক লুকের জন্য ব্রেসলেট পরে। মজার বিষয় হচ্ছে, রিস্ট হিসেবে পরার ওই বস্তুটি পুরো গেটআপেই ফোকাস করতে সক্ষম। এক দশক আগে ব্রেসলেট শুধু ক্যাজুয়াল পোশাকের সঙ্গেই পরতে দেখা যেতো। অতীতের ওই ধ্যান-ধারণা পাল্টে ফরমাল ও
ক্যাজুয়াল- উভয়ক্ষেত্রেই ব্রেসলেট দারুণভাবে মানিয়ে যায়। অতীতে যেতে হলে একেবারে আদিম যুগের মানুষের কথা বলতে হয়। তখন তারা পশুর হাড়, চামড়া কব্জিতে ব্যবহার করতো। কোনো রিচুয়াল স্থান থেকে এখনো ওই ধারণা পুরোপুরি উঠে যায়নি। পশ্চিমা বিশ্বে কণ্ঠশিল্পীদের মধ্যে হরেক রকমের ব্রেসলেট পরতে দেখা যায়। লেদার ও মেটাল, জুয়েলারি স্টেইনলেস স্টিল, সুতা, রাবার, পুঁথি, প্লাস্টিক উপকরণসহ নানান সামগ্রী ব্রেসলেটে ব্যবহার করা হয়। ছেলেদের ফ্যাশনে নতুন উপাদান ও নকশার ব্রেসলেট এক বিশেষ স্থান দখল করে আছে। কিছু ব্রেসলেট সিলিকন অর্থাৎ নরম ধাতু দিয়ে তৈরি হয়। একেকজনের রুচি একেক রকম। তাই একেকজন একেক রকমের ব্রেসলেট পরতে পছন্দ করেন। অকেশনের ভিন্নতার কারণেও ব্রেসলেটের ভিন্নতা দেখা যায়। ব্রেসলেট ফ্যাশনের অন্যতম অংশ হলেও সব সময় গর্জিয়াস ব্রেসলেট পরাটা ঠিক না। পোশাকের সঙ্গে ম্যাচ করেই আপনার ব্রেসলেটটি পছন্দ করতে হবে। টিশার্ট, পোলো শার্ট, ক্যাজুয়াল শার্টের সঙ্গে লেদার অথবা রবারের ব্রেসলেট পরতে পারেন। আনুষ্ঠানিকতায় চেইন ও পিতলের

 তৈরি ব্রেসলেট পরতে পারেন। সেমিফরমাল পোশাকের সঙ্গে চামড়া বা কাঠ দিয়ে তৈরি ব্রেসলেট বেশ মানানসই। কুলবয় লুক পেতে কম-বেশি অনেকেই মেতে উঠছে ব্রেসলেট পরার জন্য। তাই কোন ধরনের ব্রেসলেট আপনি পরতে পারেন তা দেখে নিন-


ব্যাঙ্গেল ব্রেসলেট : ব্যাঙ্গেল স্টাইলের এই ব্রেসলেট বেশ জনপ্রিয়। পুঁথি ও নানান রঙের বালা এক সঙ্গে যুক্ত করে ব্যাঙ্গেল তৈরি করা হয়। এটি যেমন সুন্দর তেমনি স্মার্ট।
বিডেড ব্রেসলেট : স্টোন, কাঠের টুকরা ও প্লাস্টিক দিয়ে ফুরফুরে মেজাজের সঙ্গে বেশ মানিয়ে যায় এই বিডেড।
কাফ ব্রেসলেট : একদিকে খোলা হয় এই ব্রেসলেটটি পরতে বেশ সুবিধা রয়েছে। এগুলো সাধারণত মেটালের হয়ে থাকে।
লেদার ব্রেসলেট : যারা মেটাল ব্রেসলেট পছন্দ করেন না তারা পরতে পারেন এই লেদার ব্রেসলেট। এটি স্মার্ট লুকের সাথে প্রকাশ করে আভিজাত্য ও ব্যক্তিত্ব।
লিংক ব্রেসলেট : একটার পর একটা স্টোন ও মেটালের কারুকার্য দিয়ে যুক্ত করে এই ব্রেসলেট তৈরি হয়। এই ব্রেসলেট আপনার রুচির পরিচয় দেবে তখনই যখন লিংক ব্রেসলেট নির্বাচনে ভুল করবেন না।
মাল্টিস্ট্রেন্ড ব্রেসলেট : অনেকটি চেইন এক সঙ্গে পেঁচিয়ে তৈরি করা হয় এ ব্রেসলেটটি। একটা সময় মনে করা হতো রঙবেরঙের ব্রেসলেট শুধু মেয়েদের হাতেই মানায়। সময়ের সঙ্গে সঙ্গে আধুনিক ফ্যাশনে এসেছে পরিবর্তন। মেয়েদের পাশাপাশি ছেলেরাও  ব্রেসলেটকে ফ্যাশন
 

 

________________________


লেখা : শাফিক মালিক
স্টাইলিং: শাফিক মালিক
মডেল : জুবায়ের, শাকিল
ছবি :  শোভন আচার্য্য অম্বু

Page 4 of 24

About Us

Lorem ipsum dolor sit amet, consectetur adipisicing elit, sed do eiusmod tempor incididunt ut labore et dolore magna aliqua.

Duis aute irure dolor in reprehenderit in voluptate velit esse cillum dolore eu fugiat nulla pariatur.

Read More

Twitter feed

We use cookies to improve our website. By continuing to use this website, you are giving consent to cookies being used. More details…