Control Your Emotions

আবেগ বা ইমোশন ছাড়া কি মানুষ হয়! না, কখনোই নয়! যার আবেগ নেই তিনি তো কোনো মনুষ্যকুলের ভেতরই পড়েন না। আবেগ আছে বলেই তো পৃথিবীতে এতো প্রেম,-ভালোবাসা, এতো কবিতা-গান। তবে ওই আবেগই আবার অনেক ক্ষতিরও কারণ। আবেগের বাড়াবাড়ি আছে বলেই এতো হানাহানি, রেষারেষি, আত্মহত্যা, ঝগড়া-ফ্যাসাদ, বিচ্ছেদ ইত্যাদি।
আবেগের কারণেই যেমন মানুষ আপ্লুত হয় ঠিক তেমনই আবেগ অনিয়ন্ত্রণেই ফেটে পড়ে ক্রোধ, চিৎকার, চেঁচামেচি বা লঙ্কাকা- ঘটিয়ে পারিপার্শ্বিক পরিবেশ তথা নিজের ইন্টারনাল ক্ষতিও করে থাকে। এই ইমম্যাচিউরড মেন্টালিটি পরিহার করুন। এছাড়া আবেগ নিয়ন্ত্রণ করতে শিখুন ও হাসি-খুশি জীবন যাপন করুন এবং নিজে বাঁচুন, অপরকে বাঁচান। ইমম্যাচিউরড মেন্টালিটি বলতে গিয়ে মনে পড়ে গেল আরেকটি কথা। তা হলো ছোট শিশুরা তাদের আবেগ নিয়ন্ত্রণে প্রায় অক্ষম থাকে। যেমন তারা একটা প্রজাপতি বা বিড়ালছানা দেখলেই হাসি-খুশি মনে ধরতে দৌড়ায় ঠিক তেমনি একটু ধমকেই ভ্যাঁ করে কেঁদেও ফেলে।

যাহোক, দেখি আবেগ কী বা আবেগের বহিঃপ্রকাশ মাধ্যম কী কী?
আবেগ ও আবেগের বহিঃপ্রকাশ হলো ভালোবাসা, ভালো লাগা, আনন্দ-বেদনা, হিংসা-বিদ্বেষ, রাগ-ক্রোধ, ঝগড়া-ঝাটি, মারামারি, খুনাখুনি, উন্মাদনা, ইগো ইত্যাদি।
ওই আবেগ নিয়ন্ত্রণ না করতে পেরে যখন কেউ কেউ রাস্তার মাঝে গাড়ি থামিয়ে জানালা নামিয়ে নিয়ম ভাঙা কাউকে উত্তেজিতভাবে গালি দিয়ে ফেলে বা রেস্টুরেন্টে প্রেমিকের সঙ্গে ঝগড়া শুরু করে আশপাশ জানিয়ে দেয় এবং শেষমেশ স্থান-কাল-পাত্র ভুলে কেঁদেই ফেলে তখন নিজে তো বোকার মতো আচরণ করেনই, এমনকি প্রেমিকসহ অন্যদেরও বিব্রত করে। এছাড়া নিজেরও বিশেষ ক্ষতি করে থাকেন যা তার অজান্তেই নিজের মধ্যে ঘটে যায় তা তিনি জানেনই না। তাই আবেগ নিয়ন্ত্রণ করা অবশ্যই জরুরি। আবেগ নিয়ন্ত্রণের রয়েছে কিছু পরীক্ষিত কৌশল। যখনই কেউ ক্রোধে উন্মাদ হবেন বা রাগ-দুঃখে চুল ছিঁড়তে চাইবেন (নিজের এবং অপরের) কিংবা চিৎকার-চেঁচামেচিতে বাড়ি মাথায় করবেন অথবা কোনো দিশা না পেয়ে ধেই ধেই পাগলা নৃত্য করবেন তখনই মনে রাখুন নো কুইক রিঅ্যাকশন বা দ্রুত প্রতিক্রিয়া না দেয়া : সোজা ভাষায়, রিঅ্যাক্টিভ না হওয়া! কোনো পরিস্থিতি আবেগ দিয়ে বিবেচনা না করে যুক্তি দিয়ে বিবেচনা করতে শিখতে হবে এবং তাৎক্ষণিক প্রতিক্রিয়া না দেখিয়ে ঠা-া মাথায় চিন্তা করে পদক্ষেপ নিতে হবে। মনে রাখতে হবে, উগ্র বৈশিষ্ট্যের স্বভাব বা গালাগালি, ক্রোধ প্রকাশ, অশালীন ভাষার ব্যবহার যুক্তিটিকে দুর্বল করে ফেলে।


সঠিক সমাধান : আমার কাছে ব্যাপারটি সময় নিয়ে হলেও সঠিক ডিসিশন নেয়াটাটিকেই বোঝায়। যে বিষয়গুলোয় আমরা ইমোশনাল হয়ে পড়ি সেসব থেকে মন অন্যদিকে সরাতে হবে। তা না পারলে মন থেকে মুছেই ফেলতে হবে যেসব স্মৃতি বা ঘটনা আমাদের ইমোশনাল করে তোলে অথবা অন্য কিছুর প্রতি মনোযোগী হওয়া বা মত পাল্টে ফেলাও একটি সমাধান হতে পারে। খোলামেলা আলোচনার সুযোগ থাকলে যার সঙ্গে মনোমালিন্য হয়েছে তার সঙ্গে তা নিয়ে কথা বলা যেতে পারে।


সচেতনতা : সচেতনতা বৃদ্ধি বা আবেগ নিয়ন্ত্রণ সম্পর্কে ওয়াকিবহাল থাকাও একটি জরুরি ব্যাপার। কোন কোন পরিস্থিতিতে আবেগ নিয়ন্ত্রণে থাকছে না সেগুলো খেয়াল রাখতে হবে। রাগ, দুঃখ, ভালোবাসা, ভালো লাগা, ক্ষোভ, ক্রোধ, হতাশা, অস্থিরতা এসবের নেতিবাচক কারণ চিহ্নিত করতে হবে।


চিন্তার পরিবর্তন : যেসব বিষয় নিয়ে ভাবলে আবেগ নিয়ন্ত্রণে থাকে না বা আবেগাপ্লুত হয়ে পড়তে হয় তা মনে পড়লে সঙ্গে সঙ্গে চিন্তা পরিবর্তন করতে হবে। ওই সময় ভালো কোনো স্মৃতির কথা মনে করা যেতে পারে। এভাবেই চিন্তাধারা ভিন্নদিকে প্রবাহিত করে আবেগাপ্লুত না হয়ে আত্মনিয়ন্ত্রণ বা আবেগ নিয়ন্ত্রণ সম্ভব ।


ইতিবাচক হওয়া : ইতিবাচক চিন্তা-ভাবনা বা সিদ্ধান্ত কিংবা ভালো চিন্তা আবেগ নিয়ন্ত্রণে বিশেষ ভূমিকা রাখে। ভালো আচরণ দিয়ে জীবনের অর্জনগুলো ভাবতে হবে। তাহলেও পরবর্তী পদক্ষেপে ভুল হওয়ার আশঙ্কা কম থাকে।
এসব ছাড়াও তাৎক্ষণিক আবেগ নিয়ন্ত্রণেরও কিছু অব্যর্থ কৌশল আছে। তা হলো -


শ্বাস নিয়ন্ত্রণ : শান্ত হয়ে মোটামুটি নিরিবিলি কোনো জায়গা খুঁজে সেখানে বসতে হবে। কিছুক্ষণ স্বাভাবিক শ্বাস নেয়ার পর খুব ধীরে নাক দিয়ে ফুসফুসভরে শ্বাস নিয়ে তা ভেতরে ধরে রাখতে হবে এবং ১, ২, ৩ ও ৪ পর্যন্ত গুনতে হবে। এরপর ধীরে ধীরে মুখ দিয়ে নিঃশ্বাস বের করে দিতে হবে।


ইতিবাচক ভঙ্গি রপ্ত করা : চলাফেরা ও কাজেকর্ম ধীর, আত্মবিশ্বাসী ও ইতিবাচক ধ্যান-ধারণা এবং অঙ্গভঙ্গি ধরে রাখতে হবে। বসা বা দাঁড়ানো কিংবা হাঁটাচলার সময় ভগ্ন হৃদয় অ্যাবা ত্রিভঙ্গ মুরারি না হয়ে সোজা ও দৃঢ় এবং স্মার্ট ভাবটিই প্র্যাকটিস করতে হবে। সোজা কথা, তাৎক্ষণিক আবেগ নিয়ন্ত্রণে ভাবতে হবে কন্ট্রোল ইওর আবেগ বাট ডোন্ট লেট ইট কন্ট্রোল ইউ।


হালকা ব্যায়াম : এ ব্যাপারে খুবই কার্যকর ব্যায়াম। ব্যায়ামের বদলের হাঁটার অভ্যাসও করা যেতে পারে। হাঁটার ফলে এন্ড্রোফিন নামক রাসায়নিক পদার্থের সিক্রিয়েশনে মুড পজিটিভ হয়ে যায়। তবে আবেগ নিয়ন্ত্রণে তখনই হাঁটা শুরু করাটা মনে হয় সঠিক হবে না।


লেখালিখি : এটি একটি দারুণ কৌশল! লেখালিখি করে মনের আবেগগুলো বের করে দেয়া যায়। এক সপ্তাহ বা এক মাস পর সেসব পড়ে নিজেকে চিনে নিতে হবে কোন বিষয়গুলো আবেগের প্রতি প্রভাবিত করে। এবার ওইসবের নিয়ন্ত্রণ সহজ! এভয়েড অর কন্ট্রোল অর কন্ট্রোল অলটার ডিলিট।


নিজের কথাগুলো বলুন : শেয়ারিং একটি ভালো উপায়। মনের কথাগুলো, দুঃখ বোধ বা কষ্ট অন্যের সঙ্গে শেয়ার করা! ফোন দিয়ে বা মুখোমুখি বলা যেতে পারে। তবে সাবধান, বন্ধু ভেবে হিংসুটে কোনো শত্রুকে মনের ভাব বলে ফেললে ভবিষ্যতে খবর আছে।


জীবন যাপনের ভালো বিষয়গুলো সযতেœ লালন করা : সুন্দরের প্রশংসা ও চর্চা, প্রতিদিনের ছোটখাটো আনন্দের বিষয়গুলো উপভোগ করা এই অযাচিত আবেগীয় অনিয়ন্ত্রণকে নিয়ন্ত্রণ করে। এটি অবশ্য সার্বক্ষণিক আবেগ নিয়ন্ত্রণের কৌশল প্র্যাকটিস হিসাবেই কাজ করে।


দূরদর্শিতা : কথায় আছে, ‘ভাবিয়া করিও কাজ, করিয়া ভাবিও না।’ আবেগ আপ্লুত হয়ে রাগ, দুঃখ ও ক্রোধে অন্ধ হওয়ার আগে ভাবতে হবে, ওই আবেগ আপনাকে কোথায় নিয়ে যাবে। আবেগের ফাঁদে এ জীবন সংকটে পড়বে না তো! দূরদর্শী চিন্তা-চেতনাই আবেগ নিয়ন্ত্রণে রেখে ভবিষ্যতের পথে হাঁটতে সাহায্য করবে।
এছাড়া কিছু বিষয় খেয়াল রাখতে হবে


পর্যাপ্ত ঘুম : আবেগ যখন অনিয়ন্ত্রিত হয় তখন ঘুম কমে যায় বা অনিদ্রা হয়। কারো সঙ্গে ঝগড়া-বিবাদ, ব্রেকআপ এসব রাতের ঘুম হারাম করে দেয়। এটি বেশ কয়েকদিন, মাস, বছরও পার করতে পারে। এই ঘুম হারাম হওয়া ব্যাপারটিতে যেভাবেই হোক সতর্ক থাকতে হবে। পর্যাপ্ত আরামদায়ক ঘুমের পর রাগ, দুঃখ, ক্রোধ, ক্ষোভ অনেক আবেগই নিয়ন্ত্রণে চলে আসে।


ভালো পরিকল্পনা : ভালো পরিকল্পনা না থাকলে যে কোনো কাজেই সফলতা পাওয়া একটু কঠিন। আর ওই অসফলতা বা ব্যর্থতাও মানুষিক অবসাদ কিংবা আবেগ নিয়ন্ত্রণ হারাতে কাজ করে। তাই ভালো পরিকল্পনাকারী হয়ে কাজ শুরু করাটাই উত্তম।
নিজের জন্য কিছু সময় ও আত্মকথন : নিজের সঙ্গে নিজের কথা বা নিজেই প্রশ্ন করা কিংবা উত্তর খুঁজে বের করা এসবও আবেগ নিয়ন্ত্রণে সহায়ক। নিজের জন্য কিছু আনন্দময় কাজ খুঁজে বের করা বা একান্ত সময় কাটানোও আবেগ নিয়ন্ত্রণে সাহায্য করে। তাই তো টক টু দাইসেলফ অ্যান্ড ইনক্রিজ ইওর অন ক্রিয়েটিভিটি বা ক্রিয়েটিভ থিকিং অর থটফুল আইডিয়াস।

এবার আসি মজার এবং খুবই এফেক্টিভ একটি বিষয়ে। দিস ইজ কলড নাইটি বা টেন প্রিন্সিপাল-
টেন পার্সেন্ট অফ লাইফ ইজ মেডআপ হোয়াট হ্যাপেনস টু ইউ বাট নাইন্টি পার্সেন্ট অফ লাইফ ইজ ডিসাইডেড বাই হাউ ইউ রিঅ্যাক্ট... মানেটা কী? আমাদের জীবনে ঘটে যাওয়া অপ্রত্যাশিত ঘটনায় ১০ শতাংশের উপর নিজের কোনো হাত থাকে না, থাকে না কোনো নিয়ন্ত্রণ। কিন্তু বাকি ৯০ শতাংশ আলাদা। এটি আমরা নিয়ন্ত্রণ করতেই পারি। তা কীভাবে! আমাদের রি-অ্যাকশনের মধ্য দিয়ে। মানে, আমরা কীভাবে রিঅ্যাক্ট করবো ঘটনাটির প্রতি।
একটা গল্প বলি। একদিন সুন্দর এক সকালে মা-বাবা আর ছোট্ট একটি মেয়ে সবাই মিলে আনন্দে সকালের ব্রেকফাস্ট করছিল। হঠাৎ মেয়েটি এক কাপ কফি বাবার গায়ে ফেলে দিল। বাবার অফিসের পোশাক নষ্ট হয়ে গেল। এখানে কফি পড়ে যাওয়ার ঘটনাটিতে কারো নিয়ন্ত্রণ করার উপায় ছিল না। কিন্তু এর পরের ঘটনাগুলো নিয়ন্ত্রণ করা যেতো কীভাবে তিনি রিঅ্যাক্ট করবেন এর ওপর। বাবা রেগে গেলেন। অনেক চিল্লাচিল্লি বকাঝকা! শিশুটি কান্না করতে শুরু করলো। শুধু তা-ই নয়, তাকে বকাঝকা করেও বাবার হলো না। তিনি মায়ের ওপর চড়াও হলেন, চিৎকার-চেঁচামেচি করলেন। তার জামাকাপড় বদল এবং শিশুর ব্রেকফাস্ট দেরি, স্কুলবাস মিস। তাড়াতাড়ি বাবাকে কারে করে স্কুল নিতে হলো। তাড়াহুড়ায় যে কোনো মুহূর্তে তখন অ্যাক্সিডেন্ট হয় হয়! শিশু স্কুলে মুখ গোমরা করে ঢুকলো বাবাকে কোনোই হাই অর বাই না বলেই। অফিসে পৌঁছে বাবা দেখলেন ব্রিফকেসটাই ভুলে গেছেন। সমস্ত কাজ ভ-ুল। সারা দিনটাই নষ্ট হয়ে গেল এভাবেই...। বাড়ি ফেরার পরও সবই থমথমে। কারণ সকালের ব্যবহার। কেন সারা দিন খারাপ গেল?
কফিটাই কারণ?
নাকি ওই শিশুই কারণ?
নাকি মা-ই কারণ?
নাকি বাবাই তার কারণ?


উত্তর তো সকলের জানা ৪ নম্বরটিই। এ একজনই। কফি পড়ার ওপর নিয়ন্ত্রণ ছিল না কারো। কিন্তু ওই ৫ সেকেন্ডের রিঅ্যাকশন বদলে দিল সব। এটা যদি হতো এমন কফি পড়ে গেল আর বাবা বলতেন, ওহ বেবি, নেক্সট টাইম বি কেয়ারফুল। এরপর কাপড় বদলে সব ঠিকঠাক নিয়ে এসে দেখতেন শিশু নাশতা খেয়ে বাসে চলে গেছে। তাহলে তাড়াহুড়া বা দেরি হতো না অফিসে। ওই শিশু মনটা খারাপ করতো না, স্কুল বাসও মিস হতো না। বাবার ব্রিফকেস নিতে ভুল হতো না। একটু খেয়াল করলেই দেখা যায় এই পার্থক্যটা। ঘটনার শুরুটা একই হলেও শেষ হতো অন্যভাবে। কারণ ওই ১০ শতাংশে আমাদের নিয়ন্ত্রণ নেই। কিন্তু বাকি ৯০ শতাংশে আছে। কাজেই সদা ও সর্বদা মনে রাখতেই হবে, ওই ৯০ঃ১০ আবেগ নিয়ন্ত্রণ করার গূঢ় উপায়টি।


ইমোশনাল সেফ জোন : শেষ হইয়াও হইলো না শেষ...। সেফটি বলতে আমরা শুধু ফিজিকাল সেফটিই বুঝে থাকি। তাই কীভাবে অ্যাকসিডেন্ট না হবে, সিটবেল্ট বাঁধা হবে, লাইফ জ্যাকেট পরা এসব নিয়েই সচেতন থাকি। কিন্তু আমাদের ভেতরের ক্ষতি ও নিরাপত্তা বা অনিরাপত্তা বোধ এটা নিয়ে কয়জন ভাবি? হঠাৎ বা ধীরে ধীরে কিংবা যখন-তখন এই নিরাপত্তার অভাব বোধ হতে পারে। লজ্জা, ভয়, ত্রাস বা সংশয়, কষ্ট গ্রাস করে নিতে পারে। নিজের দিকে তাকিয়ে দেখুন। এই ক্ষুদ্র বা বৃহৎ জীবনে আপনি কি ইমোশনাল সেফটির প্রয়োজন বোধ করেছেন? ইচ্ছা হলে এখন থেকে একটি ডায়রি মেইনটেইন করুন। কোন কোনদিন কোন কোন ঘটনায় আপনি ইমোশনাল সেফ ফিল করেননি? সেসব নিয়ে ভাবুন। এই ইমোশনাল সেফটিটাও খুবই প্রয়োজন! জীবনে চলার পথে এসব ঘটনা থেকেই নিজের সেফটি গড়ে তুলুন। এ জন্য প্রয়োজন আবেগ নিয়ন্ত্রণ করা। পরিশেষে বলবো, নিজেকে নিয়ন্ত্রণ করুন। গড়ে তুলুন নিজের মধ্যে ও আশপাশের সবার জন্য দারুণ এক শারীরিক, মানসিক এবং পারিপার্শ্বিক নিরাপদ, সুখী ও সমৃদ্ধ জীবন...।

 

লেখা : শায়মা হক
মডেল : তামান্না খান
ছবি : আরাফাত

 

Read 254 times

About Us

Lorem ipsum dolor sit amet, consectetur adipisicing elit, sed do eiusmod tempor incididunt ut labore et dolore magna aliqua.

Duis aute irure dolor in reprehenderit in voluptate velit esse cillum dolore eu fugiat nulla pariatur.

Read More

We use cookies to improve our website. By continuing to use this website, you are giving consent to cookies being used. More details…