ফিরে আসা

ফিরে আসা

 

ফিরে আসার গল্প বলার দৃঢ় সংকল্প নিয়েই এগিয়েছিলাম দুরূহ পথ ধরে। পেছন ফিরে তাকালে যেন এখনো দেখতে পাই সময়গুলো, যে সময়গুলো নিজেই দীর্ঘ হয়ে যায় বেদনার ভার বুকে করে। দিনগুলো চলতে থাকে একটি ছন্দ নিয়ে। নিজের একটি নকশা তুলতে তুলতে অনেক পাওয়া আর না পাওয়ার ভাবনা জমে। আবার সময় হঠাৎ করে অন্য আরেক ছন্দে ঢুকে পড়ে যখন ইচ্ছা আর লক্ষ্যগুলো একদম আলাদা হয়ে যায়। যা অনায়াসে পাওয়া হয়ে আসে তা নিয়েই গতানুগতিক ছন্দপ্রবাহে আবারও যুক্ত হওয়ার জন্য চেষ্টা চলতে থাকে।


আমার স্তন ক্যানসার পার হয়ে আসার গল্প বলি। নিজে নিজে পরীক্ষা করতাম। কিন্তু একদম হঠাৎ করেই ধরা পড়ল। খানিকটা চিৎ হয়ে শুয়ে ছিলাম। একটা গোটার মতো টের পেলাম। আমার এক কাছের ডাক্তার বড় আপাকে বললাম। তার বলে দেয়া ডাক্তারের পরামর্শমতো মেমোগ্রাম, এফএনএসি, কোর বায়োপসিতে বোঝা গেল টিউমার আছে। আর তা ক্যানসার হয়ে বসে আছে। ঈদের লম্বা ছুটির মধ্যে যথাসম্ভব খোঁজ-খবর করে সার্জারিকে দেখানোর সময় ও ক্লিনিক ঠিক করা হলো। ছুটি শেষ হতেই সার্জারি। এরপর বায়োপসির রিপোর্ট অনুযায়ী কেমোথেরাপি। অনেক সময় ধরে চিকিৎসা নিয়ে, বহুপথ পেড়িয়ে ক্যানসারমুক্ত হওয়া।


বিদেশে যাওয়ার চিন্তা করিনি। আমার অবস্থানুযায়ী এ দেশের চিকিৎসা ব্যবস্থা আমার জন্য বেশ ভালো। সিদ্ধান্তগুলো আমি আর আমার স্বামী মিলে নিতাম। অনেকে বুদ্ধি আবার অতিরিক্ত পরামর্শও দিতেন। কিন্তু আমরা বুঝে নিতাম কোনটি আমাদের জন্য উপযুক্ত। অবস্থাটি আমরা একেবারে আমাদের করে নিলাম। সার্জারি, কেমোথেরাপি, ডাক্তার দেখানো, রক্ত পরীক্ষা করে আমরা কথা বলতাম, চিন্তা করতাম। এতোদিনের ভালোবাসা, প্রেম, ছেলে মানুষ করা, এক সঙ্গে বুড়ো হতে থাকার মধ্যে আমরা যতো কাছে ছিলাম এর চেয়ে অনেক বেশি কাছে চলে এলাম। ডাক্তারের কাছ থেকে আশ্বাস পেয়েছিলাম। তাই দুঃখজনক কিছু চিন্তা করতাম না। আর আমার স্বামী সব সময় সাহস জোগাতেন। আমাদের প্রচ- বিশ্বাস ছিল, আমরা এটি পার হয়ে আসব।
আমার ছেলের বয়স তখন ১২ বছর। ব্যাপারটি নিজে থেকে খানিকটা বুঝত আর নেট ঘেঁটে বাকিটা বুঝে নেয়ার চেষ্টা করতো। আমাকে অনেক সাহস দিতো। মন তবুও খারাপ হতো। এক আপার সঙ্গে ফোনে কথা হতো। আমরা একজন অন্যজনকে আগে চিনতাম না। তাকে কখনোই দেখিনি। তিনিও এক সময় এসবের মধ্য দিয়ে গেছেন। তাই তার নম্বর জোগাড় করি। অনেক সময় ঘণ্টা পার হয়ে যেতো কথা বলে। সবকিছু শুনতেন। মাঝে মধ্যে তার ওই সময়টার কথাও বলতেন। কতো কষ্ট হতো, কতো চেষ্টা চলতো। ওই সময় তার অফিসের কাজের কথা, বাসা সামলানো, মনের অবস্থা- সব। সারাক্ষণ সাহস দিতেন। খাওয়া, বিশ্রাম আর দুশ্চিন্তা না করার ব্যাপারে জোর দিতেন।

সার্জারির আগের দিন অ্যানেসথেসিওলজিস্ট এলেন। অভয় দিলেন। হাঁপানি আমার পুরনো রোগ জেনে গেলেন। সার্জারির পর ক্লিনিকে কিছুদিন থেকে বাসায় ফিরে যাওয়ার পর শুরু হলো কেমোথেরাপির চিন্তা। আরেক হাসপাতাল, আরেক ডাক্তার। সার্জারির আগে পেট স্ক্যান করার সুযোগ হয়নি। তাই পরে করা হলো। ঠিক ওই সময়ই ভয় হলো যদি আবারও কিছু ধরা পড়ে! হাসপাতালের অ্যাটেনডেন্ট মেশিনের কাছে নিয়ে গেলেন। এরপর কেমোথেরাপিস্ট পরবর্তী চিকিৎসা বুঝিয়ে বললেন। কেমোথেরাপি লাগবে কেন, কয়টা, কতোদিন পর পর, কী ওষুধ দেবেন, কী কী অসুবিধা হতে পারে- সব। অনেকটা দিন লাগবে আর শরীর-মন ভালো রাখতে হবে- সবই সুন্দর করে বললেন। মনে হলো, খুব লেগে থেকে সবটুকু পার হয়ে যাব।
প্রথম কেমোথেরাপির পর পরই খাওয়ার রুচি হারিয়ে ফেললাম। তবুও যে ধৈর্য ধরে খেতে হবে তা বুঝিনি। কারণ পুষ্টি তো আসবে খাবার থেকেই। আর ওই সময়টায় সাধারণ অবস্থার চেয়ে বেশি ক্যালরি দরকার। মনে করলাম, রুচি আবার ফিরে আসবে। কিন্তু খাওয়ার অনিচ্ছা আরো বাড়লো। ভাত খেতে ঘণ্টা পার হয়ে যেতো। অল্প করে কিছুক্ষণ পর পর খেতাম। এক প্রস্থ খাওয়া শেষ হলে নিজেকে বাহবা দিতাম। ডাক্তার বলতেন প্রোটিন বেশি খেতে, স্টার্চ কম খেতে এবং চিনি, তেল-চর্বি, মশলা এড়িয়ে যেতে। বেশকিছু মৌসুমি ফল খেতে বলতেন। ফল খেতে ভালোও লাগতো। রান্না খাবারে লবণের স্বাদ সঠিক হলেও পরিমাণে তা বেশি লাগতো। অল্প মশলাতেও অনেক সময় মুখ জ্বলত। টোস্ট, বিস্কুট খাওয়ার জন্য লোভ হতো। কিন্তু টোস্ট, পাউরুটি খেলেই মুখের তালু ছুলে যেতো আর বিস্কুট তো দুরস্ত। খুব খেয়াল রাখতাম যেন যথেষ্ট পানি খাওয়া হয়। বলে দেয়া হয়েছিল, কেমোথেরাপির সময় পানি স্বল্পতায় নানান জটিলতা হতে পারে।
প্রথম কেমোর দ্বিতীয় সপ্তাহেই জ্বর এলো। তাড়াতাড়ি রক্ত পরীক্ষা করে দেখা গেল, রক্তের শ্বেতকণিকা ভয়ানক রকম কমে গেছে। তখনই হাসপাতালে ভর্তি। ডাক্তার জানালেন, কেমোথেরাপির পর অনেকেরই ওই অসুবিধা হয়। তখন রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা কমে যায় বলে পর্যবেক্ষণে থাকার জন্য হাসপাতালে থাকতে হয়। কারণ ওই সময়টায় ইনফেকশন হলে তা মারাত্মক হয়ে যেতে পারে। ওষুধ-পথ্য আর শুশ্রƒষায় ঠিক হয়ে সপ্তাহখানেক পর বাসায় ফিরি। ততোদিনে দ্বিতীয় কেমোথেরাপির সময় হয়ে গেছে। এভাবে পুরো সময়টায় মোট তিনবার এমন অবস্থায় পড়লাম। আর প্রতিবারই হাসপাতালে থাকা হয়। পরের দিকে সেরে উঠতে আরো সময় লাগতো। শরীর তো বার বার যুদ্ধ করছিল, তাই। একবার তো অণুচক্রিকাও কমে গেল। চারটি কেমোথেরাপি পার করার পর বেঁকে বসলাম, আর নেব না। আমার স্বামী তখন বোঝালেন, আমরা তো ঠিক করেছিলাম সব পার করবো। আবার মনে জোর আনলাম, বাকিগুলোও পার করবো।
তৃতীয় সপ্তাহ থেকে চুল পড়া শুরু। অল্প করে শুরু হয়ে একেবারে ঝুরঝুর করে পড়তে লাগলো। তৃতীয় কেমোথেরাপির পর রাতে বমি হলো। সামান্য যা চুল ছিল তা মুখের সামনে এসে অসুবিধা করছিল। আমার স্বামী তখন বাকিটুকু চুল খুব ছোট করিয়ে ট্রিম করে দিলেন। বোঝা যাচ্ছিল, সব চুল ফেলে দিতে তার মনে কতো কষ্ট হচ্ছে!


পাশের বেডে এক আপা কেমোথেরাপি নিতেন। তার সঙ্গে বেশ কিছুদিনের শেডিউল মিলে যেতো। আবার আমরা অসুস্থ হলেও একই সময় হাসপাতালে থাকতাম। শ্বেতকণিকা কম থাকার কারণেও ওই সময়টায় মেলামেশা এড়িয়ে যেতাম। তার মনের জোর দেখে অবাক হতাম! অন্য রোগীদের প্রাণশক্তিটা যে কী প্রখর হয়ে আছে তা তাদের চেহারা দেখলেই বোঝা যেতো। তখন আমাদের চেহারা পাল্টে একেবারেই অন্য রকম হতো। কিন্তু চোখ দেখে ধারণা করা যেতো, কতো বড় বড় বাধা পার হয়ে আসছি আমরা। এ রকম এক সময় ওই অ্যাটেনডেন্ট ভাইয়ার সঙ্গে আবার দেখা। তখন চুল, ভ্রƒহীন অবস্থায় চেহারা ফুলে একেবারে চাঁদের মতো। কেমন আছি জিজ্ঞাসা করায় অবাক হলাম। আমাকে চিনলেন কীভাবে! তিনি বললেন, মানুষের চোখ তো একই রকম থাকে। তাই চেনা যায়। তার কথাটি পোশাকি ছিল না, আন্তরিকই ছিল। নার্সরা অনেক যতœ নিতেন। তাদের নিঃশব্দে হাঁটাটা খুব মজা লাগতো। কীভাবে যে বুঝে যেতেন, কখন তাদের কাউকে আমার দরকার লাগবে! ওই সময় তাদের সাজপোশাক বেশ খেয়াল করতাম। ইনফেকশনের ভয়ে দুল পরতাম না। দেখতাম, তারা খুব ছোট্ট দুল পরেন, খুব হালকা কাজল দেন আর চুল তো নেটের ভেতর বাঁধা থাকে। এমন প্রমিত সাজ ভালো লাগতো। নিজের জন্য মায়া লাগতো যে, আহারে, আমার চুল কবে হবে!

বাসায় আমার সার্বক্ষণিক সঙ্গী ছিল আমার কুকুরটি। এরা হলো অন্য প্রাণীর শরীরে ভর করে আসা মহাপ্রাণ। ওই প্রাণীটি ছিল বলেই আমাকে বাসায় কখনো একা থাকতে হয়নি, একাকীত্বেও ভুগিনি। কী করে যে মনের অবস্থা বুঝতে পারতো! আর যখন হাসপাতাল থেকে ফিরতাম, অল্প দূরত্ব বজায় রেখে কাছে থাকতো। যখন আমাকে কেমোথেরাপির সুবিধার জন্য পোর্ট করতে বলা হলো তখন ওই কুকুরের কথা চিন্তা করে করলাম না। ইনফেকশন হয়ে গেলে সব দোষ ওই প্রাণীটির ঘাড়ে পড়তো। আর খরচের ব্যাপারটিও ছিল। পোর্ট অবশ্য আমার ভালো সাহায্যে আসতো। ধীরে ধীরে সব কেমোথেরাপি ভালোভাবে পার করা হলো। সেরে উঠলাম। কিছু জিনিস আগের মতো থাকলো না। কিছু জিনিস ভালোর জন্য পাল্টালো। পরীক্ষায় ছেলে বেশ খারাপ করলো। তাকে স্কুল পরের ক্লাসে বিশেষ বিবেচনায় নয়, এমনিই তুলে দিল। তার টিচার জানতেন। বন্ধুদের সঙ্গে আমাদের যোগাযোগ অনেক বেড়ে গেল। কেউ কেউ স্বাস্থ্য নিয়ে সচেতন হলো। যে কোনো কঠিন সময়ের মতো ওই অভিজ্ঞতাতেও টের পেলাম কারা আমাদের পরম আপনজন আর কারা আবর্জনা।

ক্যানসার একটি মহাচোর। মানুষের অনেক কিছু নিয়ে নেয়। তবু মানুষ তো অমৃতের সন্তান। তাই লড়াই করেই যায়। এর মধ্যেও যারা থেমে যান না। তারাই শ্রদ্ধার পাত্র। আর যারা পরম মমতা ও পরিশ্রমে তাদের পাশে থাকেন তারাও সমানভাবে শ্রদ্ধার পাত্র। তাদের ছাড়া ওই লড়াইয়ে উত্তীর্ণ সম্ভবই নয়। ক্যানসার নিয়ে মানুষের মধ্যে অনেক ভুল ধারণা আছে। এখন চিন্তা করে দেখি, আমার দিকের পরিবারে বড় পরিসরে হৃদরোগ আর স্তন ক্যানসারের হার প্রায় সমান। তাই হয়তো এটি ধরা পড়ার পর এতোটা ঘাবড়াইনি। তবু আমাদের কেউ যখন পরিবারের ক্যানসারভোগীদের রোগের যোগসূত্র বৈবাহিকভাবে অন্যপক্ষের আত্মীয়র কাছ থেকে খোঁজেন তখন বেশ অবাক লাগে! ক্যানসার নিয়ে মানুষের মনে এত সন্দেহ থাকা উচিত নয়। আমি ফিরে আসতে পেরেছি, আপনিও পারবেন। যারা এমন দুঃসহ যন্ত্রণার মাঝ দিয়ে পার হবেন কিংবা যারা এখন সুস্থ আছেন তাদের সচেতনতার জন্য কিছু বিষয় জানানো হলো:- সাধারণত ৫০ বছরের বেশি বয়সী নারীদের মধ্যে স্তন ক্যানসার হওয়ার ঝুঁকি ও মৃত্যুর হার সবচেয়ে বেশি। তাই এতোদিন এ ব্যাপারে নারীদের সচেতন করাই ছিল মুখ্য। কিন্তু এখন পুরুষদেরও সচেতন করার জোর চেষ্টা চালানো হচ্ছে। কারণ পুরুষদের মধ্যেও স্তন ক্যানসার দেখা দিতে পারে। অবশ্য তাদের স্তন ক্যানসারে আক্রান্ত হওয়ার হার খুবই কম। এক হিসাবে দেখা গেছে, যুক্তরাজ্যে প্রতি বছর স্তন ক্যানসারে আক্রান্ত হন ৪১ হাজার নারী। ওই তুলনায় মাত্র ৩০০ পুরুষ এই রোগে আক্রান্ত হন। স্তন ক্যানসার হওয়ার কারণগুলো এখনো পুরোপুরি জানা যায়নি।


স্তন ক্যানসার হয়েছে কী করে বুঝবেন
- স্তনে একটি পি-ের মতো অনুভব হয়।
- স্তনের বোঁটা থেকে রক্ত বের হয়।
- স্তনের আকার ও আকৃতির পরিবর্তন হয়।
- স্তনের ত্বকে পরিবর্তন দেখা দেয়। যেমন- টোল পড়া।
- স্তনের বোঁটা ভেতরের দিকে ঢুকে যায়।
- স্তনের বোঁটার চামড়া উঠতে থাকে।
- স্তনের ত্বক লালচে তথা কমলার খোসার মতো এবং গর্ত গর্ত হয়ে যায়।

কখন ডাক্তার দেখাবেন
- স্তনে নতুন ও অস্বাভাবিক পি- অনুভব করলে।
- পরবর্তী মাসিক পার হয়ে গেলেও পি- না গেলে।
- স্তনের পি- আরো বড় ও শক্ত হলে।
- স্তনের বোঁটা থেকে অনবরত রক্ত নির্গত হলে।
- স্তনের ত্বকে পরিবর্তন দেখা দিলে।
- স্তনের বোঁটা ভেতরের দিকে ঢুকে গেলে।

কোথায় চিকিৎসা করাবেন
- জেলা সদর হাসপাতালে।
- মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে।
- বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ে।
- বিশেষায়িত সরকারি-বেসরকারি হাসপাতালে।

কী ধরনের পরীক্ষা-নিরীক্ষার প্রয়োজন হতে পারে
- মেমোগ্রাম (Mammogram) বা স্তনের এক্স-রে।
- ব্রেস্ট আলট্রাসাউন্ড (Breast Ultrasound)।
- ব্রেস্ট ম্যাগনেটিক রিজোন্যান্স ইমাজিং {Breast magnetic resonance imaging (MRI)}।
- বায়োপসি (Biopsy)।
- রক্তের পরীক্ষা।
- বুকের এক্স-রে।
- কম্পিউটারাইজড টমোগ্রাফি স্ক্যান {Computerized tomography (CT) Scan }
- পজিট্রন ইমিশন টমোগ্রাফি স্ক্যান {Positron emission tomography (PET) Scan}

কী ধরনের চিকিৎসা আছে
স্তন ক্যানসারের চিকিৎসা নির্ভর করে এর ধরন, পর্যায়, ক্যানসারের কোষগুলো হরমন সংবেদনশীল কি না এসবের ওপর। অধিকাংশ নারীই স্তন অপারেশনের পাশাপাশি অন্যান্য বাড়তি চিকিৎসাও গ্রহণ করে থাকেন।
যেমন- কেমোথেরাপি, হরমনথেরাপি অথবা রশ্মিথেরাপি।

 

লেখা : তাহমিনা রহমান

Read 540 times

About Us

Lorem ipsum dolor sit amet, consectetur adipisicing elit, sed do eiusmod tempor incididunt ut labore et dolore magna aliqua.

Duis aute irure dolor in reprehenderit in voluptate velit esse cillum dolore eu fugiat nulla pariatur.

Read More

We use cookies to improve our website. By continuing to use this website, you are giving consent to cookies being used. More details…