মঙ্গল শোভাযাত্রা বাঙালির একটুকরো স্বপ্ন

মঙ্গল শোভাযাত্রা
বাঙালির একটুকরো স্বপ্ন

জোসী চৌধুরী

 

পুবের আকাশে বিশাখা নক্ষত্রের উদয়ের সঙ্গে নিসর্গে আসে নবপ্রেরণা, চৈতালী ফসল বিক্রির ধুম পড়ে যায় গ্রাম-গঞ্জের হাট-বাজারে। জমির খাজনা, মহাজনী ঋণ, মুদি দোকানের দেনা পরিশোধ করে কৃষক পান মুক্তির আনন্দ। বৈশাখ মাসেই শুরু হয় বণিকদের হালখাতা উৎসব, দেনা-পাওনার হিসাব। অন্য এক ভাবনায় বাঙালির হালখাতা উৎসব মানেই মিঠাই-ম-া আর জিলাপি, অমৃত্তি, রসগোল্লা আর ফুলকো লুচির সমাহার। বৈশাখী উৎসব শুধু বাঙালির উৎসব নয়- চাকমা, মারমা, ত্রিপুরা, সাংমা, তঞ্চঙ্গা, গারো,  সাঁওতালসহ সবার কাছেই প্রিয় উৎসব। সবাই নিজস্ব ঐতিহ্য ধারণ করে যোগ দেন মঙ্গল শোভাযাত্রার সঙ্গে। বাংলাদেশের পাহাড়ে পাহাড়ে বৈশাখ ঘিরে শুরু হয় ‘বিষু’ পর্ব। ২৯ চৈত্র রাত থেকে বৈশাখের দ্বিতীয় দিন পর্যন্ত ওই উৎসব। চৈত্র সংক্রান্তির দিনে মহাধুমধামে খাওয়া হয় চিড়া-মুড়ি-দই। চাকমাদের কাছে এ পর্বের নাম ‘বিজু’, অসম বা অহোমিয়াদের কাছে ‘বিহু’, ত্রিপুরাদের কাছে ‘বৈসু’, বোমরাদের কাছে ‘কুমঠার’, খুমিদের কাছে ‘সাংক্রাইন’, রাখাইনদের কাছে ‘সাংগ্রাইন’ ও তঞ্চঙ্গাদের কাছে ‘বিষু’।


নববর্ষ উৎযাপিত হয় পৃথিবীর দেশে দেশে। নববর্ষ নিয়ে সংস্কার বা কুসংস্কারেরও অভাব নেই। ইংল্যান্ডবাসী মনে করেন, বছরের প্রথম দিন যে মানুষের সঙ্গে দেখা হবে তার মাথার চুল যদি লাল হয়, তিনি যদি অসুন্দর নারী হন তাহলে ওই বছরটি হবে অবশ্যই দুর্ভাগ্যের। কালো চুলের অধিকারী কোনো মানুষ কিংবা রুটি, টাকা অথবা হাতে লবণ নিয়ে আসা কারো সঙ্গে প্রথম দেখা হলে বুঝতে হবে তার জন্য বছরটি হবে আনন্দঘন। ইংল্যান্ডের ছেলেমেয়েরা নববর্ষে কাকডাকা ভোরে ঘুম থেকে উঠে প্রতিবেশীদের বাড়িতে গান গাইতে গাইতে যায়। প্রতিবেশীরা তাদের হাতে আপেল, মুখে মিষ্টি, পকেটে ভরে দেয় পাউন্ডের চকচকে মুদ্রা। আরেকটি মজার ব্যাপার হলো, ইংল্যান্ডের অনেক মেয়ে ভোরের প্রথম প্রহরে ডিমের সাদা অংশ ছেড়ে দেয় পানিতে সুপাত্রের সঙ্গে বিয়ে হবে বলে। লন্ডনবাসী ট্রাফালগার স্কয়ার অথবা পিকাডেলি সার্কাস-এ সমবেত হয়ে বিগবেন-এর ঘণ্টাধ্বনি শোনেন, স্বাগত জানান নববর্ষের, প্রার্থনা করেন গ্রেট বৃটেনের সমৃদ্ধির জন্য। সমুদ্র ও নদী বন্দরে নোঙর করা জাহাজে বাজতে থাকে নববর্ষের আগমনী বার্তা।


জাপানিজরা জানুয়ারি মাসের প্রথম দিন নববর্ষ হিসেবে উদযাপন করেন। শহরের সব দোকান, অফিস-আদালত বন্ধ করে তারা পরিবারের সবাইকে নিয়ে উদযাপন করেন জাপানিজ লোকসংস্কৃতির আমেজে। দড়ি দিয়ে খড়কুটো বেঁেধ ঘরের সামনে তারা ঝুলিয়ে দেন ভূত-প্রেত ও শয়তানের গৃহে প্রবেশ বন্ধ হবে বলে। নববর্ষটিকে জাপানিজরা বলেন ‘উশাগাটুসু’। সিন্টো ধর্মের মানুষ বছরের প্রথম দিন প্রার্থনা করে সুখ ও সৌভাগ্যের প্রত্যাশায়। কোরিয়ানরা নতুন বছরটিকে বলে ‘সোল-নাল’। নতুন কাপড় পরে শিশুরা পরিবারের বয়োজ্যেষ্ঠদের প্রণাম করে আশীর্বাদের প্রত্যাশায়। তারা ‘টুক্কক’ নামক সুপ খায় চালের পিঠা দিয়ে। তাদের বিশ্বাস, সুপ খেলে বয়স বাড়ে। অনেক কোরিয়ান বয়সের হিসাব করেন নববর্ষ ধরে, জন্মের হিসাবে নয়।


আমেরিকায় আতশবাজি ও নাচ-গানের মধ্যে নিউ ইয়র্ক-এর টাইম স্কয়ারে নববর্ষের প্রতি স্বাগত জানায় উৎফুল্ল মানুষ। গাড়িতে হর্ন বাজানো হয় এবং সমুদ্র বন্দরে জাহাজের সাইরেন বাজানো হয় নাবিকদের যাত্রা শুরু হবে বলে। দক্ষিণ আমেরিকায় মধ্যরাতে নববর্ষের প্রথম প্রহরে বাড়ির জানালা দিয়ে ঘরের নোংরা পানি ছুড়ে মারা হয় যেন গত বছরের সব অশুভ শক্তি বহিষ্কার হয়ে যায়। পর্তুগিজরা রাত ১২টা বাজার সঙ্গে সঙ্গে ১২টি আঙুর খান আগামী ১২ মাস যেন খেয়ে-পরে সুখে-শান্তিতে কাটে। বলিভিয়ায় বাড়ির আঙিনায় কাঠের পুতুল সাজিয়ে রাখা হয় যেন বছরটি ভালোভাবে কাটে। মিয়ানমার ও থাইল্যান্ডে নববর্ষে একে অন্যের গায়ে পানি ছুড়ে দেয়া হয়। ওই পানিতে ভিজে যাওয়ার অর্থ আত্মশুদ্ধির অভিযান। চীনের মানুষ নববর্ষে ড্রাগন ও সিংহের প্রতীক নিয়ে নাচ-গান করে। ড্রাগন হচ্ছে দীর্ঘায়ু ও সিংহ বীরত্বের প্রতীক।


কম্বোডিয়া, ভিয়েতনাম ও থাইল্যান্ডে নববর্ষ পালিত হয় বাংলা নববর্ষের কাছাকাছি সময়। বাংলাদেশে নববর্ষ ঘিরে দুটি অনুষ্ঠান পালিত হয়- চৈত্র সংক্রান্তিতে ভূত-প্রেত ও অপদেবতা তাড়ানোর সংস্কৃতি এবং নববর্ষ উদযাপন। বাংলাদেশে আরো দুটি উৎসব পালিত হয়। তা হলো মহরমের তাজিয়া মিছিল ও জন্মাষ্টমীর মিছিল। দুটি মিছিলই প্রধানত ধর্মীয় অনুভূতিরই বহিঃপ্রকাশ। বৈশাখের শোভাযাত্রা অসাম্প্রদায়িক ও সর্বজনীন সংস্কৃতির অঙ্গ।
বাংলাদেশের মঙ্গল শোভাযাত্রা এমন বিরল একটি সাংস্কৃতিক মিছিল যার নয়ানাভিরাম রূপ, মিছিলকারীদের পোশাক, চিত্রকলার উৎকর্ষ, চারুকলার রচনাশৈলী পুরো বিশ্বে অনন্য। বাংলাদেশে বাংলা নববর্ষবরণ শোভাযাত্রা থেকে মঙ্গল শোভাযাত্রার রূপান্তরের স্বপ্ন দেখার কারিগর ও আমার অগ্রজতুল্য মাহবুব জামাল শামিম। তাঁর সঙ্গে আলাপচারিতায় জানা গেল, কেন বর্ষবরণ মঙ্গল শোভাযাত্রার সূচনা যশোর থেকে এবং তা ঢাকা থেকে কেন নয়?
উত্তরে মাহবুব জামাল শামিম বলেন, ‘‘চারুশিল্পের চর্চা ও আন্দোলন চিরকাল রাজধানীকেন্দ্রিক কেন থাকবে? আমাদের প্রজন্ম আকাক্সক্ষা করেছিল দেশজুড়ে শিল্প চর্চার প্রসার ঘটবে- জেলায় জেলায়, প্রত্যন্ত অঞ্চলে।

এরই সূচনা হিসেবে প্রতীকীভাবে জেলা শহর যশোরে ‘চারুপীঠ’ নামে শিল্পের চর্চা, গবেষণা ও সমাজিকায়ন প্রতিষ্ঠানটি প্রতিষ্ঠা করেছিলাম। আমরা অনুভব করেছিলাম শিশুরাই শিল্পের বীজ বপনের উত্তম ক্ষেত্র। তাই চারুপীঠের প্রথম কর্মসূচি হলো বিশাল কলেবরে শিশুদের আঁকা-গড়ার বিদ্যালয় প্রতিষ্ঠা। ওই বিদ্যালয়ের প্রাণবন্ত শিশুদের নিয়ে আনন্দময় মঙ্গল শোভাযাত্রা উদ্ভাবন, স্বাধীন বাঙালির জীবনে নতুনভাবে শিল্প ও ঐতিহ্য চর্চার পথ সূচিত হলো। ঢাকার বাইরে থেকেও যে কোনো শিল্প আন্দোলনের উদ্যোগ নেয়া যায় এবং সেটি সারা দেশে গ্রহণযোগ্য হয় তা প্রমাণিত হয়ে যায়। মঙ্গল
শোভাযাত্রা আজ জাতীয় উৎসবে পরিণত এবং আন্তর্জাতিক মহলে স্বীকৃত হয়েছে।”
বর্ষবরণ মঙ্গল শোভাযাত্রা বাঙালির জীবনে শিল্প চর্চা আর হারানো ঐতিহ্য ফিরিয়ে আনার সার্থক উৎসব উদ্ভাবন- কোন অনুভূতি আপনাকে প্রেরণা জুগিয়েছিল।
উত্তরে শামিম বলেন, ‘ আমাদের বাঙালি জীবন আচরণে আঁকা, গড়া, নৃত্য, গীত, বাদ্য, আনন্দ, ঐতিহ্য উৎসব ফিরিয়ে আনার পথ কী হতে পারে তা নিয়ে আমরা ভাবনায় ছিলাম। তখনকার সমাজ শিল্পবিবর্জিত, ঐতিহ্য থেকে বিচ্যুত অচলায়তন। কেউ নাচতে জানে না, প্রাণখুলে গাইতে পারে না, মনের মতো সাজতে পারে না, গুণহীন জড়তায় বন্দিদশা। স্বাধীন বাংলাদেশের সবাই যেন রাজা হতে পারে এমন উৎসব চেয়েছিলাম। উৎসব ঘিরে শিল্পীকুলের বিশাল সৃষ্টিশীল ব্যস্ততা সৃষ্টি করে হারানো ঐতিহ্য ফিরে পাওয়ার এক মহাউৎসব চেয়েছিলাম। চিরকালের চেনা ছবি, মঞ্চে কয়েকজন নৃত্য, গীত করেছে আর বাকি সবাই ¯্রােতা দর্শক.... তা আর নয়। আমাদের এ নতুন উৎসবে সবাই রাজা-রানি, রাজকুমার-রাজকুমারী, নায়ক-নায়িকা, ফুল-পাখি, প্রাণী-পতঙ্গ, সরীসৃপ, যা ইচ্ছা তা-ই, সবাই অভিনেতা। অপরূপ সাজে কৌতুক উল্লাসে নাচবে, গাইবে, উপস্থাপন করবে নানান দৃশ্যপট। ঢাক-ঢোল-সানাইয়ের সুর তালে আপ্লুত হয়ে আবালবৃদ্ধবনিতা, শিশু তারুণ্য ফিরে পেয়ে জেগে উঠবে, নেচে উঠবে। এ উৎসব যাপিত জীবনে সব শিল্পের চর্চা প্রতিষ্ঠা করবে। ঐতিহ্যের সব রঙ-রূপ ধারণ করবে। জড়তামুক্ত, গুণী, রসিক প্রাণখোলা রঙিন উপভোগ্য বাঙালি জীবনের অভিযাত্রা বর্ষবরণ শোভাযাত্রা। এমন সব অনুভূতি থেকে ১৯৮৫ সালে যশোরের সব সাংস্কৃতিক সংগঠনের সমন্বয়ে চারুপীঠ ওই সামাজিক মহাউৎসব রীতির জন্ম দিয়েছিল। মুকুট-মুখোশ, লোকশিল্পের নানান মোটিফের ওই উৎসব রীতি প্রতি বছর উন্নতি সাধনের মাধ্যমে পরে ১৪০০ ও ১৪০১ বঙ্গাব্দ বরণ উৎসবে মঙ্গল শোভাযাত্রা সফলতার চূড়ান্ত মাত্রা পেয়েছিল।’

১৯৮৯-৯০ সালে চারুকলা ইনস্টিটিউটে মঙ্গল শোভাযাত্রার প্রস্তুতিলগ্নে আপনার উদ্যোমী দিনগুলো দেখার মতো ছিল। এ সম্পর্কে বলুন ‘হ্যাঁ, উৎসব দেশময় ছড়িয়ে দেয়ার মিশন নিয়েই এসেছিলাম রঙ-রূপের উৎসবের আগুন জেলে দিতে।’ আপনার উৎসাহ ও উদ্দীপনায় ১৯৯০ সালে ময়মনসিংহ ও বরিশালেও মঙ্গল শোভাযাত্রা সংগঠিত হয়েছিল। তা কীভাবে, ‘চেয়েছিলাম চারুকলার শিক্ষার্থীরা তাদের নিজ অঞ্চলে ওই উৎসবের আলো ছড়িয়ে দিক। আমিও ১৯৮৯-৯০ সালে ঢাকায় মঙ্গল শোভাযাত্রার মোড়ল ছিলাম না। ঢাকা চারুকলায় মঙ্গল শোভাযাত্রা সংগঠিত করে দিয়েই যশোরে নিজের অঞ্চলে পঞ্চম ও ষষ্ঠতম শোভাযাত্রার নেতৃত্ব দেয়ার জন্য ফিরে গিয়েছিলাম। এখন পর্যন্ত বাঙালি উৎসবের দুর্গ হিসেবে যশোরেই গড়ে তোলার ধারাবাহিক সাধনা অব্যাহত রেখেছি।’ ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের চারুকলায় মঙ্গল শোভাযাত্রা আয়োজনে কারা ভূমিকা নিয়েছিলেন, এই প্রশ্নের উত্তরে  শামিম জানান, ‘তরুণ ঘোষ, শিশির ভট্টাচার্য, নিসার হোসেন, হীরণ¥য় চন্দ, ফজলুল করিম কাঞ্চন বাঙালি মুখোশের ধরন ও বাঙালি নকশা সচেতনতা গড়ে দিয়েছিলেন। সাইদুল হক জুইস পেপার ফোল্ডিং মুখোশে যুক্ত করে মঙ্গল শোভাযাত্রায় আধুনিক ও আশ্চর্য সুন্দর মাত্রা তৈরি করেছিলেন। পরে মাহবুবুর রহমান যোগ দিয়েছিলেন।’


প্রতিটি বিশ্ববিদ্যালয় এবং জেলায় জেলায় মঙ্গল শোভাযাত্রার কিছুটা ভিন্নতা ও বৈচিত্র্য থাকা উচিত বলে আপনি মনে করেন?
শামিম জানান, ‘হ্যাঁ। তা না হলে একঘেয়ে হয়ে যায়, শিল্প থাকে না। নড়াইলে শিল্পী এসএম সুলতানের বজরা নৌকাটির সঙ্গে শত শত নৌকা নকশা পরিকল্পনা করে চিত্রার বুকে পানিপথে মঙ্গল শোভাযাত্রার রেওয়াজ যদি হয় তাহলে কেমন হবে বুঝে নেন? জাহাঙ্গীরনগর, রাজশাহী, চট্টগ্রাম ও খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের অপরূপ প্রাকৃতিক পরিবেশে চলমান থিয়েটার, নৃত্য ও লোকফর্মের নানান পারফর্মিং সহযোগে বিচিত্র ভাবনা নিয়ে শোভাযাত্রা করার সুযোগ রয়েছে। ওই চারটি বিশ্ববিদ্যালয়ের মঙ্গল শোভাযাত্রার কর্মকা- চোখে পড়ার মতো। সব অঞ্চলেরই একটু আলাদা মেজাজে হওয়ার সুবিধা তো থাকেই।’হিন্দু সৌর পঞ্জিকা অনুসারে বাংলা মাস গ্রেগরীয় পঞ্জিকার এপ্রিল মাসের মাঝামাঝি থেকে গনণা করা হতো। হিন্দু সৌর বছরের প্রথম দিন আসাম, বঙ্গ, কেরল, মনিপুর, নেপাল, উড়িষ্যা, পাঞ্জাব, তামিলনাড়– ও ত্রিপুরার সংস্কৃতির অবিচ্ছেদ্য অংশ হিসেবে পালিত হতো। নববর্ষ তখন আর্তব বা ঋতুধর্মী উৎসব হিসেবে পালিত হতো। কৃষকের কাছ থেকে খাজনা আদায়ের সুষ্ঠুতা প্রণয়নের জন্য মোগল স¤্রাট আকবর বাংলা সনের প্রবর্তন করেন। তিনি প্রাচীন বর্ষপঞ্জিতে সংস্কারের আদেশ দেন। ওই সময় বাংলার বিখ্যাত জ্যোতির্বিজ্ঞানী ও চিন্তাবিদ ফতেউল্লাহ সিরাজি সৌর সন এবং আরবি হিজরি সনের ওপর ভিত্তি করে নতুন বাংলা সন বিনির্মাণ করেন। ১৫৮৪ খৃস্টাব্দের ১০ বা ১১ মার্চ থেকে বাংলা সন গণনা শুরু হয়। তবে কার্যকর হয় ১৫৫৬ খৃস্টাব্দের ৫ নভেম্বর থেকে স¤্রাট আকবরের সিংহাসনে আরোহণের সময়। প্রথমে নাম দেয়া হয় ফসলি সন, পরে বাংলা সন বা বঙ্গাব্দ।

Read 118 times

About Us

Lorem ipsum dolor sit amet, consectetur adipisicing elit, sed do eiusmod tempor incididunt ut labore et dolore magna aliqua.

Duis aute irure dolor in reprehenderit in voluptate velit esse cillum dolore eu fugiat nulla pariatur.

Read More

We use cookies to improve our website. By continuing to use this website, you are giving consent to cookies being used. More details…